Sunday 11 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মাঠে বিএনপির বিরুদ্ধে বিএনপি, আসছে কঠিন সিদ্ধান্ত

মো. মহসিন হোসেন স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১০ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:১৯ | আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:০০

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। ফাইল ছবি

ঢাকা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর বাকি মাত্র একমাস। মনোনয়নের আপিল নিষ্পত্তির পর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনও ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু কিছু কিছু আসন নিয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল যেন স্বস্তির অবস্থানে আসতেই পারছে না। যদিও এই অস্বস্তির কারণ দলের মনোনয়ন বঞ্চিতদের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে যাওয়া। আর এরাই এখন বিএনপির মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যেসব আসনে দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে মনোনয়ন বঞ্চিতরা প্রার্থী হয়েছেন সেখানে দলীয় প্রার্থীরা যেমন উদ্বেগের মধ্যে আছেন, তেমনি হাই কমান্ডও চিন্তিত। দলের বিদ্রোহীরা যদি প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করে তাহলে মনোনীত প্রার্থীদের বিজয় ছিনিয়ে আনা কঠিন হবে। বিদ্রোহীদের কারণে কোথাও কোথা অন্য দলের প্রার্থীরা জয়লাভ করবেন; আবার কোথাও বিদ্রোহীরাও বিজয়ী হতে পারেন।

বিজ্ঞাপন

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারাদেশে প্রায় শতাধিক আসনে বিএনপির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন বিএনপি নেতারা। দলীয় নেতারা বলছেন, বিদ্রোহীরা জয়লাভ করলে দলের ক্ষতি হবে না। কারণ, তারা পরে আবার দলেই যোগ দেবেন। কিন্তু নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে অন্য দল বা জোটের প্রার্থীরা জয়লাভ করলে সেটা দলের জন্য ক্ষতির কারণ হবে। এই চিন্তা থেকেই দলের হাইকমান্ড চাচ্ছে মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে যাতে কেউ মাঠে না থাকে।

সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে এখনো যেসব জায়গায় বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন প্রথম ধাপে সেসব প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে রাজি করানোর চেষ্টা করা হবে। কেন্দ্রীয় নেতারা সরাসরি বৈঠক ও সাংগঠনিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে তাদের বোঝানোর উদ্যোগ নেবেন। তবে কেউ যদি দলীয় সিদ্ধান্ত মানতে অস্বীকৃতি জানান, সেক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জানা গেছে, এখনো যেসব জায়গায় বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন তারা অনেকটা শক্ত অবস্থানেই আছেন। অনেকের ধারণা, দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে তার চেয়ে তিনি জনপ্রিয় প্রার্থী এবং বিজয়ী হবেন। সেজন্য তারা মাঠ ছাড়তে চাচ্ছেন না।

যেসব আসনে বিদ্রোহীরা মাঠে

  • বরিশাল-১ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন তুলেছেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সোবহান। তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।
  • কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কুমিল্লা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। এখানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস এম এ মতিন খান।
  • কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
  • কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিএনপিতে সদ্য যোগ দেওয়া এলডিপির সাবেক মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ দলীয় প্রার্থী। এখানে বিদ্রোহী হিসেবে আছেন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন।
  • কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন সাবেক এমপি প্রয়াত কর্নেল (অব.) আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা।
  • কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভুঁইয়া। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় সদস্য মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়া।
  • নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন আতাউর রহমান আঙ্গুর। তিনি বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও দলের জেলা শাখার সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন। এই আসনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদকে।
  • নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। এখানে দল মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানকে।
  • নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সদর) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহ আলম ও বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলম এবং জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। এই আসনে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের নেতা মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে। যদিও শাহ আলম ও গিয়াস উদ্দিনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
  • নড়াইল-১ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি নেতা ও জিয়া পরিষদের সদস্য অধ্যাপক বি এম. নাগিব হোসেন। এখানে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমকে।
  • নড়াইল-২ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এখানে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে এনপিপি ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়া নেতা ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে।
  • পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য। তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে হাসান মামুনের দাবি, বহিষ্কারের আগেই তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এ আসনে জোটের প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
  • মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনে বিএনপির দু’জন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু ও শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মমিন আলী। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ।
  • মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন। তিনি জেলা বিএনপির সদস্যসচিব। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হলেন কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন।
  • শেরপুর-১ (সদর) বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এখানে বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা। দলের মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল।
  • নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) বিএনপির বিদ্রোহী সাবেক চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া দুলাল। আসনটিতে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ নিয়ে লড়ছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্যসচিব ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী।
  • সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে স্বতন্ত্রের ব্যানারে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু মামুন) জেলা বিএনপির সহসভাপতি ছিলেন। আসনটিতে বিএনপি জোট থেকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দলের এই সিদ্ধান্ত না মেনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন মামুনুর রশিদ মামুন। পরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়। দল থেকে বহিষ্কার হলেও নির্বাচনের ব্যাপারে অনড় মামুন।
  • গোপালগঞ্জ-২ (সদর ও কাশিয়ানীর সাত ইউনিয়ন) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে ডা. এ কে এম বাবরকে।
  • গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া) আসন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এইচ খান মঞ্জু বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন। এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী।
  • বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট মোল্লাহাট ও চিতলমারী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল। এ আসনে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিম ও জেলা বিএনপি নেতা প্রকৌশলী মো. শেখ মাসুদ রানা।
  • বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। এই আসনের বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিম ও তার ভাই জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম।
  • বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ ফরিদুল ইসলাম। এই আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিম। সাবেক এমপি এই সেলিম বাগেরহাট জেলার তিনটি আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করছেন।
  • কুড়িগ্রাম-১ (ভুরুঙ্গামারী-নাগেশ্বরী) আসনে জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইউনুস আলী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এখানে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন সাইফুল ইসলাম রানা।
  • নীলফামারী-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর সরকার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন এ এইচ মো. সাইফুল্লাহ রুবেল।
  • দিনাজপুর-১ আসনে বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির জাকির হোসেন ধলু বিদ্রোহী প্রার্থী। আর দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন মো. মনজরুল ইসলাম।
  • দিনাজপুর-২ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি নেতা মর্তুজা, গাইবান্ধা-৪ আসনে ফারুক করিম আহমেদ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে নাহিদুজ্জামান নিশাদ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন।
  • রাজশাহী-১ আসনে (তানোর-গোদাগাড়ী) গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুল, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুন খান, রাজশাহী-৬ আসনে (বাঘা-চারঘাট) জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলও বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন।
  • এদিকে নাটোর-১ আসনে বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাইফুল ইসলাম টিপু, নাটোর-২ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন ছবি এবং নাটোর-৪ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন।
  • সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ) তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে (উল্লাপাড়া) উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে (বেলকুচি ও চৌহালী) তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মওলা খান বাবলু, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে (শাহজাদপুর) স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার বিদ্রোর্হী প্রার্থী হয়ে মাঠে নেমেছেন।
  • কুষ্টিয়া-২ আসনে অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম ও ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৩ আসনে অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দীন, কুষ্টিয়া-৪ আসনে নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক দলের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। নড়াইল-১ আসনে নাগিব হোসেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে কৃষক দলের সদস্য মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস, মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর, শিবালয়) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তোজাম্মেল হক ও মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান আতাও ‍বিদ্রোহী প্রার্থী।
  • অপরদিকে ঝালকাঠি-১ আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা গোলাম আজম সৈকত, সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন দলের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করতে চান।
  • সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন ও সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী নির্বাচন করতে চান। মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে মো. মহসীন মিয়া মধু এবং সিলেট-৫ আসনে (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) দলের বাইরে গিয়ে মনোনয়ন তুলেছেন।
  • ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপির সালমান ওমর রুবেল ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এখানে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
  • ময়মনসিংহ-২ (তারাকান্দা-ফুলপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন তারাকান্দা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জেলা উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ার।
  • ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও নবগঠিত উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন। তবে শেষ পর্যন্ত দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসাইন বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
  • ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আকতারুল আলম ফারুক। তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্যের স্ত্রী আখতার সুলতানা ও তাদের ছেলে তানভীর আহম্মেদ রানা। এ ছাড়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল করিম।
  • ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেকের ছেলে মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাতও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন।
  • ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। দল থেকে পদত্যাগ করে সাবেক এমপি শাহ নূরুল কবীর শাহীনও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
  • ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী। এছাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন বিন আব্দুল মান্নান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
  • ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনটিতে মনোনয়ন পেয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিকুর রহমান এবং পাগলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আল-ফাতাহ মো. আব্দুল হান্নান খান।
  • ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু দলীয় মনোনয়ন দাখিল করেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ মুর্শেদ আলম।
  • জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ এস এম আবদুল হালিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এখানে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন এম সুলতান মাহমুদ বাবু।
  • শেরপুর-১ (সদর) আসনে শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে ইলিয়াস খান, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে আমিনুল ইসলাম বাদশা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
  • চাঁদপুর-৫ (শাহরাস্তি-হাজিগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন মো. মমিনুল হক। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার কামাল উদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।
  • চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন লায়ন হারুনুর রশিদ। স্বতন্ত্র হিসেবে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আ. হান্নান।
  • চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন। এখানে জেলা বিএনপি নেতা তানভীর হুদা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন। এছাড়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা এম এ শুক্কুর পাটোয়ারী তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
  • চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে বিএনপির নেতা জিয়াদ আমিন খান, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম-৫ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক ও বিএনপি নেতা শাকিলা ফারজানা, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে নগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস ও সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে শফিকুল ইসলাম রাহী এবং চট্টগ্রাম-১৬ আসনে বিএনপি নেতা লেয়াকত আলী বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন।
  • সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনী-কালীগঞ্জ) আসনে ২০১৮ সালে মনোনয়ন পেয়েছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. শহিদুল আলম। এবার এই আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দিন। ডা. শহিদুল আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তার মনোনয়ন বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে।
  • নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপি নেতা কাজী মফিজুর রহমান ও আবুল কালাম আজাদ। কাজী মফিজুর বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সেনবাগ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
  • নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবীরহাট) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ফখরুল ইসলাম। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির প্রয়াত স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসীমউদদীন মওদুদ।
  • নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভীর উদ্দিন রাজিব এবং বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিম ও তার স্ত্রী শামীমা আজিম।
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পাননি সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা। আসনটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এখানে রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। বিএনপি তাকে বহিষ্কার করেছে।
  • টাঙ্গাইল-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ফকির মাহবুব আনাম স্বপনের বিপরীতে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী।
  • টাঙ্গাইল-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির। ওই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সাবেক এমপি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লুৎফুর রহমান খান আজাদ।
  • টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকুকে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল।
  • ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ডা. আবদুস সালাম। দলটির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সাবেক এমপি জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী (তুলা)। এই আসনে বিএনপি জোটের শরিক দল গণঅধিকার পরিষদের নেতা ফারুক হাসানও তার দল থেকে প্রার্থী হয়েছেন।
  • হবিগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ড. রেজা কিবরিয়ার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সাবেক এমপি বিএনপি নেতা শেখ সুজাত মিয়া।
  • ঢাকা-১২ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হককে। এখানে প্রথমে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহবায়ক সাইফুল আলম নীরবকে। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি তাকে বহিষ্কার করেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সাইফুল আলম নীরব সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমিতো আর দলের কেউ না। আমি নির্বাচনের মাঠে শেষ পর্যন্তই থাকব। এর বাইরে আর কোনো কথা নেই।’

বিদ্রোহীদের বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যারা ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়বেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিএনপি।’

আর বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সদ্য গঠিত দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে সারাবাংলাকে বলেন, ‘কতগুলো আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী আছে তার সঠিক হিসাব বলা যাবে না। তবে যারা মাঠে আছেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। যাতে তারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।’

এরই মধ্যে নয় জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ এ পর্যন্ত নয় জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এরপর আর কাউকে বহিষ্কার করা হয়নি। যারা এখনো আছে তাদের বিষয়ে দল পরে সিদ্ধান্ত নেবে।’

সারাবাংলা/এমএমএইচ/পিটিএম
বিজ্ঞাপন

খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা
১১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৩৬

আরো

মো. মহসিন হোসেন - আরো পড়ুন
সম্পর্কিত খবর