ঢাকা: চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যাদের কোনো ভূমিকা ছিল না, তারাই এখন নানা ধরনের আকাঙ্ক্ষা ও দাবি সামনে আনছে—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
রোববার রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় দুপুরে তিনি এসব কথা বলেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার ও গুরুতর আহতদের সম্মানে এই সভার আয়োজন করা হয়।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, এই ঐতিহাসিক লড়াইয়ের প্রকৃত অবদানকারীদের পরিচয় আড়াল করতে একটি মহল বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। জুলাই-আগস্টে ছাত্র ও সাধারণ মানুষের যে গণবিপ্লব সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল, তার কারণেই ফ্যাসিবাদী শাসন টিকে থাকতে পারেনি। তৎকালীন সরকারের হাতে মারণাস্ত্র ও অবৈধ অর্থের পাহাড় থাকা সত্ত্বেও জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির সামনে তারা পরাজিত হয়েছে এবং দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেকেই এই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিজেদের নামে নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং আন্দোলনের ইতিহাসকে ভিন্নভাবে চিহ্নিত করতে নানা বক্তব্য দিচ্ছে। এসব প্রচেষ্টা মূলত প্রকৃত সংগ্রামকে খাটো করা এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা।
আগামী দিনের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা তুলে ধরে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করা এবং একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। এ সংগ্রামে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
মতবিনিময় সভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও অংশ নেন।