ঢাকা: ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় বিদেশ থেকে ৫ হাজার ৬০০টি পোস্টাল ব্যালট ফেরত এসেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। এর মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে ৪ হাজার এবং ইতালি থেকে ১ হাজার ৬০০টি ব্যালট ফেরত এসেছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান।
এ সময় নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “প্রবাসীদের সঠিক ঠিকানা না পাওয়ায় এসব ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে মালয়েশিয়া ও ইতালি থেকে মোট ৫ হাজার ৬০০ ব্যালট ফেরত এসেছে। প্রবাসীদের তথ্যে ক্রুটি বা সঠিক ঠিকানার অভাবেই মূলত এই জটিলতা তৈরি হয়েছে।”
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা গুঞ্জন ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের জবাবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এবার পোস্টাল ব্যালটে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, তাতে কান দেওয়ার কোনো কারণ নেই। এবারের ব্যালট ব্যবস্থায় ‘ফেইস ডিটেকশন’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে একজনের ভোট অন্য কেউ দেওয়ার কোনো সুযোগই নেই। কারচুপির সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।”
এদিকে, গণঅধিকার পরিষদের দেয়া একটি চিঠির প্রেক্ষিতে ব্যালট পেপারের গঠন নিয়ে কথা বলেন তিনি। সানাউল্লাহ জানান, “পোস্টাল ব্যালটে মোট ৩৯টি মার্কা রয়েছে, যা ব্যালট পেপারের ভাঁজের মধ্যে পড়েছে।” এটি নিয়ে কোনো বিশেষ মহলের বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে তিনি প্রিজাইডিং অফিসারদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ভোট গণনা কাজ পরিচালনার নির্দেশ দেন এবং নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে কমিশনের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।