ঢাকা: আগামী ১ এপ্রিল থেকে কক্সবাজার ও ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সমান মাসিক খাদ্য সহায়তা বন্ধ করতে যাচ্ছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। নতুন ব্যবস্থায় পরিবারগুলোকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে বরাদ্দ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সংস্থাটি জানায়, গত বছর পরিচালিত একটি জরিপের ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মান ও খাদ্য সংকটের গভীরতা অনুযায়ী এই নতুন শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে।
ক্যাটাগরি-১ (অত্যন্ত অনিরাপদ): যারা তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছেন, এমন পরিবারের সদস্যরা কক্সবাজারে জনপ্রতি ১২ ডলার এবং ভাসানচরে ১৩ ডলার করে মাসিক সহায়তা পাবেন।
ক্যাটাগরি-২ (উচ্চ মাত্রার অনিরাপদ): যারা মাঝারি ধরনের খাদ্য ঝুঁকিতে আছেন, তারা কক্সবাজারে ১০ ডলার এবং ভাসানচরে ১১ ডলার করে পাবেন।
ক্যাটাগরি-৩ (কম ঝুঁকিপূর্ণ): তুলনামূলক স্থিতিশীল এবং মোকাবিলা করার সক্ষমতা যাদের বেশি, তারা কক্সবাজারে ৭ ডলার এবং ভাসানচরে ৮ ডলার করে সহায়তা পাবেন।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, গত আট বছরে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮ সালে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল প্রায় ৯ লাখ, যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ লাখে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭৮ শতাংশই নারী ও শিশু।