Saturday 18 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

আইএমএফ’র সঙ্গে আলোচনা চলছে, অ্যাটিচিউড পজিটিভ: অর্থমন্ত্রী

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩২ | আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২৮

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী – ছবি : সংগৃহীত

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর সঙ্গে এখনো আলোচনা চলছে। সামনের দিকে যেগুলো এখনও রিজলভ হয়নি, সেগুলো আলোচনার মধ্যে আসবে। বিষয়গুলো একটা চলমান প্রক্রিয়া। এটা একদিনের সিদ্ধান্ত না, এক ঘণ্টার সিদ্ধান্ত না। এটা চলতেই থাকবে, আলোচনা ১৫ দিন পরেও চলবে। এগুলো ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেস। এখানে হ্যাঁ, না বলার সুযোগ নাই।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি-তে আইএমএফ’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্ক-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংস্কারে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে আইএমএফ ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে আমির খসরু বলেন, আইএমএফ না করেছে কি না, এটা তো তারা বলতে পারবে। তবে এ ধরনের কোনো আলোচনা বা ওই জায়গায় আমরা এখনো যাইনি।

বিজ্ঞাপন

ঋণের বাকি কিস্তিগুলোর অর্থ ছাড় প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, সবার অ্যাটিচিউড এখানে খুবই পজিটিভ- এক কথায় বলতে গেলে। তবে প্যাকেজটা কী হবে, সেটা অপেক্ষা করতে হবে। সেটা তো এখন আমি বলতে পারব না।

তিনি বলেন, এটা পজেটিভ হচ্ছে- কারণ তারা বাংলাদেশের অর্থনীতি, বিএনপির পলিসির সাথে তারা এলাইন্ড। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, বিএনপির মেনিফেস্টোর সাথে তারা এলাইন্ড। যেহেতু তারা এলাইন্ড, সেহেতু তারা সাপোর্ট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছে।

উল্লেখ্য, পাঁচ কিস্তিতে ৩৬৪ কোটি ডলারের ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। বাকি আছে ১৮৬ কোটি ডলার। ষষ্ঠ কিস্তি ও অবশিষ্ট অর্থ ছাড়ের সময় ছিল গত বছরের ডিসেম্বরে। তখন আইএমএফ জানিয়ে দেয়, ঋণের অবশিষ্ঠ অর্থ ছাড় করা হবে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে। সেই অর্থ ছাড় করার আগে ঋণের শর্ত বাস্তবায়নে অগ্রগতি দেখতে চায় আইএমএফ।

একইদিন (শুক্রবার) দক্ষিণ ও এশিয়া বিষয়ক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশ-আমেরিকার ট্রেড রিলেশনশিপটা একটা ভিন্ন পর্যায়ে কীভাবে যেতে পারে যে- বোথ সাইড থেকে কী ট্রেড করতে পারি। আমেরিকার সাথে আমাদের সব বড় সম্পর্ক আইসিটি সেক্টরে, কারণ আমেরিকা আইসিটি সেক্টরে সবচেয়ে এগিয়ে আছে। এখানে আমরা কীভাবে কো-অপারেট করতে পারি।