চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক এলাকা খাতুনগঞ্জে একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালে একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা ইউনিয়ন ব্যাংকের শাখায় তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে শাখাটির স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং সেবা নিতে আসা অন্যান্য গ্রাহকরাও বিপাকে পড়েন।
রোববার (৩ মে) দুপুরে ইউনিয়ন ব্যাংক শাখা সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া গ্রাহকরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন—আমানতের ওপর মুনাফা কর্তনের ‘হেয়ারকাট’ পদ্ধতি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে,নির্ধারিত মেয়াদ শেষে সম্পূর্ণ আমানত ফেরত দিতে হবে,জরুরি প্রয়োজনে গ্রাহকদের টাকা উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে ও দ্রুত ব্যাংকের স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম চালু করতে হবে।
গ্রাহকদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আমানতের ওপর কোনো মুনাফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। তারা বলেন, বিভিন্ন অজুহাতে ব্যাংকগুলো আমানত ফেরত দিতে গড়িমসি করছে, ফলে সাধারণ আমানতকারীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
বিক্ষোভকারীরা আরও জানান, ব্যাংকগুলোর একীভূতকরণের পর ব্যবস্থাপনায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এতে গ্রাহকসেবায় ধীরগতি ও অনিশ্চয়তা বেড়েছে। অনেকেই সময়মতো টাকা তুলতে না পারায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।
দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে চট্টগ্রামের অন্যান্য ব্যাংক শাখাতেও একই ধরনের কর্মসূচি— অর্থাৎ তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বিক্ষোভকারীরা।