Wednesday 06 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সাতক্ষীরার আমন বীজের কদর দেশজুড়ে: ৯৫২ টন বীজ যাচ্ছে ২২ অঞ্চলে

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৬ মে ২০২৬ ১৫:৪৭

সাতক্ষীরা: গুণগত মান ও উজ্জ্বল রঙের কারণে দেশজুড়ে চাহিদা বাড়ছে সাতক্ষীরায় উৎপাদিত আমন বীজের। চলতি মৌসুমে জেলা বিএডিসি অফিসের তত্ত্বাবধানে ৯৫২ মেট্রিকটন আমন ধানের বীজ উৎপাদিত হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেশি। উৎপাদিত এই বীজ দেশের ২২টি অঞ্চলে সরবরাহের প্রস্তুতি চলছে।

সাতক্ষীরা বিএডিসির তথ্য মতে, সাতক্ষীরায় এবার আমন মৌসুমে ৯৫২ মেট্রিকটন বীজধান উৎপাদন করা হয়েছে। যাহা দেশের বিভিন্ন জেলায় এক মাসের ভিতরে পাঠানো হবে। বিশেষ করে বীজ বিপনন বিভাগের আওতায়ই ২২ অঞ্চলে এই বীজ সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি সাতক্ষীরার বীজের চাহিদা এবং গুনগত মান ভালো হওয়ায় দেশের সব জেলাতে এই বীজের চাহিদা অনেক বেশি।

বিজ্ঞাপন

সাতক্ষীরা বিএডিসির উপ-পরিচালক রমিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া, তালা ও ডুমুরিয়া অঞ্চল থেকে চুক্তিবদ্ধ কৃষকদের মাধ্যমে এই বীজ সংগ্রহ করি। আমাদের ৭টি ব্লকে প্রায় ৩০০ জন প্রশিক্ষিত চাষি রয়েছেন। তাদের ভিত্তি মানের উৎকৃষ্ট বীজ সরবরাহ থেকে শুরু করে চারা রোপণ ও ফসল কাটা পর্যন্ত আমরা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে তদারকি করি। এরপর মান যাচাই করে সেই বীজ সংগ্রহ করা হয়।

বীজ উৎপাদনে সাতক্ষীরা বিএডিসি অফিসের ভূমিকা নিয়ে তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরার বীজের গুণগত মান এবং বীজের কালার অন্তত ভালো যার কারনে দেশের বিভিন্ন জেলায় এই বীজের চাহিদা খুব বেশি। কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে যথাযথ চেইন অব কমান্ড মেইন টেইন করে বীজ উৎপাদন ও সংগ্রহ করা হয়। আমি এই দফতরে যোগদানের পর করার কেন্দ্রের যন্ত্রাংশ ও ছোটখাটো অবকাঠামোর সংস্কার ও উন্নতি সাধন করি। অত্র কেন্দ্রটি সাতক্ষীরা জেলার মধ্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত একটি দফতর, এখানে প্রতিদিন বিকালে বহু লোক ঘুরতে আসে, সেই জন্য কেন্দ্রের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন সংস্কার ও মেরামত কাজ করা হয়েছে। উপযোগী প্রশিক্ষণ কক্ষ ছিল না, সেটা সম্প্রসারণ ও সংস্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রের সকল স্থাপনা ও যন্ত্রপাতি সচল রেখে বীজ সংগ্রহ কাজ চলমান।

উল্লেখ্য, এই দফতরটি মূলত বীজ উৎপাদন, সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণের জন্য কাজ করে। এখানে সাধারণ খুচরা বীজ বিক্রির সুযোগ নেই; শুধুমাত্র চুক্তিবদ্ধ চাষিরাই বীজ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা ও কারিগরি সহায়তা পেয়ে থাকেন।

সারাবাংলা/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর