ঢাকা: ধর্ষণ, হত্যা ও সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
শুক্রবার (২২ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদ আয়োজিত ‘বিএনপি সরকারের তিন মাস: প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
সাইফুল হক বলেন, রামিসাসহ গত সাত থেকে পনেরো দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, ধর্ষণ ও পৈশাচিকতার ঘটনা ঘটেছে। মক্তব ও মাদরাসায় এ ধরনের বর্বরতা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি বলেন, ধর্ষণের মতো অপরাধের সঙ্গে দারিদ্র্য ও সামাজিক পরিস্থিতির যোগসূত্র রয়েছে। অপরাধীরা প্রায়ই রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করতে চায়, যা উদ্বেগজনক। মাজার ভাঙা বা কুষ্টিয়ায় মারধরের মতো বর্বরতার ক্ষেত্রে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে এবং দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।
তিনি বলেন, মানুষকে গণআতঙ্ক থেকে মুক্তি দিতে হবে এবং দ্রুত সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের কার্যকারিতা দেখার জন্য জনগণ অপেক্ষা করছে। সরকার রাতারাতি ম্যাজিক দেখাতে পারবে না, এমন প্রত্যাশা না করাই ভালো। তবে সরকার কাজ করার চেষ্টা করছে এবং বেশ কিছু সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেটের পর সরকারের প্রকৃত কর্মপরিকল্পনা আরও স্পষ্ট হবে। একটি জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সাইফুল হক বলেন, দেশের মানুষের ঐক্যই আমাদের মূল শক্তি। জাতীয় প্রয়োজনে সংসদের ভেতরের ও বাইরের সব রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যতে বিরোধী দলে গেলে বিএনপি যে ধরনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ দেখতে চাইবে, এখনই সেই ব্যবস্থা গড়ে তোলা উচিত। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।