ঢাকা: এলএনজি, সার, ভোজ্যতেল ও মসুর ডাল আমদানি এবং দেশের ৮টি বিভাগে ‘নীট’ (এনইইটি) প্রকল্প বাস্তবায়নসহ ২০টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে ‘সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’। এতে মোট ব্যয় হবে ৪ হাজার ১৮ কোটি ৮ লাখ টাকা।
বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে স্পট মার্কেট থেকে ২ কার্গো এলএনজি আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি চলতি পঞ্জিকা বছরের ৩১ ও ৩৩ তম কার্গো আমদানি। সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড’ ও ‘গানভর সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড’ কার্গো দুটি সরবরাহ করবে। এতে মোট ব্যয় হবে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ৩৫৫ কোটি ৮২ লাখ ৭৯ হাজার টাকা।
বৈঠকে যুব উন্নয়ন অধিদফতর কর্তৃক দেশের ৮টি বিভাগে ‘ইকোনমিক এক্সিলারেশন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর নীট (এনইইটি) প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০টি প্যাকেজের ১০টি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১ হাজার ১০৬ কোটি ৫২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ২ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল ও স্থানীয় বাজার থেকে ২ কোটি লিটার পাম অয়েল কেনার দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুই প্রস্তাবে মোট ব্যয় হবে ৬৪৫ কোটি ৭ লাখ টাকা।
এছাড়া সাড়ে ২২ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার মেট্রিক টন ডাল স্থানীয় বাজার থেকে এবং সাড়ে ১২ হাজার মেট্রিক টন ডাল আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে কেনা হবে। দুই প্রস্তাবে মোট ব্যয় হবে ১৬৭ কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা।
বৈঠকে সার ক্রয়ের দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিএডিসি’র জন্য মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে। প্রতি মেট্রিক টন ৭১৩ ডলার দরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এতে ব্যয় হবে ২৬৩ কোটি ৬৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা।
অন্যদিকে কাফকো থেকে কেনা হবে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্রানুলার ইউরিয়া সার। প্রতি মেট্রিক টন ৫৪০.৭৫ ডলার দরে এতে মোট ব্যয় হবে ১৯৯ কোটি ৯৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা।