Monday 12 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১২ জুলাই ২০২৬ ১৩:২০

টানা বৃষ্টিতে বন্যায় প্লাবিত এলাকা।

বান্দরবান: বান্দরবানে টানা সাত দিনের ভারী বর্ষণের কারণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এবং বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়কের ব্রিজঘাটা এলাকায় ব্রিজের পাশে সড়ক ভেঙ্গে বিচ্ছিন্ন ও পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল থেকে রোববার (১২ জুলাই) সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি কম হওয়ায় বন্যার পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে রাস্তঘাট ও বাড়ীঘর এখনো পানির নিছে নিমজ্জিত রয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১ লাখ মানুষ।

টানা ভারী বর্ষণের ফলে জেলার লামা, আলীকদম, নাইক্ষংছড়ি, রুমা, থানচি এবং রোয়াংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকায় সংযোগ সড়কগুলো ডুবে যাওয়ায় এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বান্দরবান সদরের আর্মি পাড়া, শেরেবাংলা নগর,ওয়াপদা ব্রীজ এলাকা, বনানী স’মিল এলাকা, ইসলামপুর, ব্রিগেড এলাকা, সাঙ্গু নদীর তীরবর্তী এলাকা, ক্যাচিংঘাটাসহ বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত এলাকার লোকজন প্রশাসনের পক্ষথেকে ঘোষিত বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। পৌরসভা এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদেরকে খিচুড়ি এবং শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

বন্যায় প্লাবিত এলাকা।

বান্দরবান সদর, আলীকদম এবং নাইক্ষ্যংছড়িতে বন্যাকবলিতদের মাঝে ঔষধ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে সেনাবাহীনি ও বিজিবি।

এদিকে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি কিছুটা কমলেও এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ অবস্থায় জনগণকে সতর্ক করতে জেলার সাতটি উপজেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে প্রতিনিয়ত মাইকিং করা হচ্ছে।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস জানান, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্থদের আশ্রয়ের জন্য আমাদের বিদ্যালয়গুলোসহ সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। যারা আশ্রয় নিয়েছে সবাইকে খিচুড়ি ও শুকনো খাবার দেয়া হচ্ছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী,পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সকলে সম্মিলিত ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

সারাবাংলা/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর