সারাবাংলা ডেস্ক
রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা মিয়ানমারের একটি সেনা বহরে হামলা চালিয়ে পাঁচ জন সেনা সদস্যকে আহত করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।
শুক্রবার আরাকানের রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) একজন মুখপাত্র এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
এ ঘটনায় সরকারের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০ জনের মতো বিদ্রোহীদের একটি দল হালকা অস্ত্র ও হাতে তৈরি বোমা নিয়ে সেনাবাহিনীর গাড়িতে হামলা করে।
তবে সেনাবাহিনীর দাবি, বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী আরসা এই হামলা চালিয়েছে।
এর আগে গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর একাধিক হামলার অভিযোগে ৬ লক্ষ ২০ হাজার রোহিঙ্গা নাগরিককে দেশ থেকে তাড়িয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য করে। এ ছাড়াও সে দেশের সেনাবাহিনী অসংখ্য মানুষকে হত্য, ধর্ষণ ও তাদের বাড়ি-ঘরে অগুন লাগিয়ে দেয়।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের কাছে তাদের প্রতি নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ ও লুণ্ঠনের বর্ণনা দিয়েছে।
মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের প্রতি নির্যাতনকে গণহত্যা ও জাতিগত নিধন বলে অভিহিত করেছে জাতিসংঘ। তবে মিয়ানমার সরকার জাতিসংঘের এ দাবি অস্বীকার করেছে বরাবরের মতো।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক স্বাক্ষাৎকারে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে আরসার এক সদস্য। তবে সে তার নাম প্রকাশ করেনি।
এ ব্যাপারে ‘ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমার’ নামের একটি ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ হামলায় সেনাবাহিনীর ৬ সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক জনের অবস্থা গুরুতর।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের ফেরত নিতে গত মাসে মিয়ানমার-বাংলাদেশের মধ্যে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর করা হয়েছে।
সারাবাংলা/এমআই