চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাকিস্তানকে চাপে রেখেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনে হাসান মাহমুদের ৫ উইকেট শিকারের সুবাদে মাত্র ১৭২ রানেই গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান। দ্বিতীয় টেস্ট জয় ও পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের জন্য বাংলাদেশের সামনে টার্গেট ১৮৫ রান।
লাঞ্চের আগে পাকিস্তানের ৬ উইকেট তুলে নিয়ে চালকের আসনে ছিল বাংলাদেশ। নাহিদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর দ্বিতীয় সেশনে জ্বলে উঠেছেন আরেক পেসার হাসান মাহমুদও। রিজওয়ান-সালমানের ৫৫ রানের জুটি ভাঙে হাসানের বলে রিজওয়ান ফিরলে।
৪৩ রান করা রিজওয়ান লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। পরের বলেই মোহাম্মদ আলিকে ফেরান হাসান। ২ রান করা আবরারকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের চতুর্থ উইকেট পান নাহিদ। শেষ উইকেটে একাই লরে যাচ্ছিলেন সালমান। এক প্রান্ত আগলে রেখে বেশ মারমুখী হয়েই খেলেছেন তিনি। তার ব্যাটে ভর করেই পাকিস্তানের লিড ১৫০ পেরিয়েছে।
শেষ পর্যন্ত অন্য প্রান্তে থাকা হামজাকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন হাসান। ৪৩ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। পাকিস্তানের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে ৫ উইকেট পেলেন হাসান। ৪৭ রান করা সালমান অপরাজিতই থাকেন। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের লিড দাঁড়ায় ১৮৪ রান।
এদিকে চতুর্থ দিনের শুরুটা বেশ দেখেশুনেই করেছিলেন পাকিস্তানের দুই ব্যাটার। সাইম আইয়ুব ও শান মাসুদের জুটি প্রথম কয়েক ওভার স্বাচ্ছন্দ্যের সাথেই সামাল দিয়েছে বাংলাদেশের বোলারদের। প্রথম আঘাতটা আসে তাসকিনের হাত ধরে। ৪৭ রানের মাথায় আইয়ুবকে ফেরান তাসকিন। আইয়ুব ফিরেছেন ২০ রান করে।
এরপর শুরু নাহিদ ঝড়ের। একে একে শান মাসুদ, বাবর আজম ও সৌদ শাকিলকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে কাঁপিয়ে দিয়েছেন এই তরুণ পেসার। তার গতির কাছেই পরাস্ত হয়েছেন পাকিস্তান ব্যাটাররা। লিটনের হাতে কার দিয়ে ফিরেছেন মাসুদ, তার রান তখন ২৮।
এরপর বাবর প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন ১১ রানে। নাহিদ এর পরপরই পেতে পারতেন রিজওয়ানের উইকেটও। কিন্তু স্লিপে তার সহজ ক্যাচ ছেড়েছেন সাদমান। ম্যাচে নাহিদ নিজের তৃতীয় স্বীকার তুলে নিয়েছেন শাকিলকে ফিরিয়ে। ২ রান করা শাকিল লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন।
৮১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছে পাকিস্তান। ৭ম উইকেটে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছেন রিজওয়ান-সালমান জুটি।