Tuesday 22 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

জনগণের আস্থা ফেরানোর দায়িত্ব রাজনীতিকদেরই: খসরু

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:০৬
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: রাজনীতিকদের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব রাজনীতিকদেরই- এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেছেন, রাজনীতি ও রাজনীতিকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারে না। তাই জনগণের প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া এবং তাদের প্রত্যাশার জবাব দেওয়াই রাজনীতিকদের প্রধান দায়িত্ব।

বিজ্ঞাপন

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে যেখানে বক্তৃতা দিয়ে রাজনীতিকরা চলে যান, কিন্তু জনগণের মনে কী প্রশ্ন বা দ্বিধা আছে, তা জানার সুযোগ খুব কম থাকে। এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতেই বিএনপি উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিটি আলোচনায় কমপক্ষে এক ঘণ্টা প্রশ্নোত্তর পর্ব রাখার। এর মাধ্যমে শুধু বক্তব্য দেওয়া নয়, বরং জনগণের প্রশ্নের সরাসরি জবাব দিয়ে রাজনীতিকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, আমরা অনেক সেমিনার করছি, অনেক আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু যদি প্রশ্নোত্তরের সুযোগ না থাকে, তাহলে মানুষের মনের ভেতরের কথা, উদ্বেগ কিংবা প্রত্যাশা জানা যায় না। রাজনীতিকদের প্রতি মানুষের আস্থা তখনই তৈরি হবে, যখন রাজনীতিকরা প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহস দেখাবেন এবং দায়িত্বশীল আচরণ করবেন।

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক আরও বলেন, একটি দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সিভিল সোসাইটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিভিল সোসাইটিকে শুধু কাজ করার সুযোগ দিলেই হবে না, বরং তাদের কাজকে সহায়তা ও সহজতর করতে হবে। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সিভিল সোসাইটির সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সম্ভব নয়।

আমীর খসরু বলেন, ভবিষ্যতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, এককভাবে কোনো সমস্যার সমাধান দেওয়া সম্ভব নয়। রাষ্ট্র পরিচালনা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য অংশীদারিত্ব অপরিহার্য। এই অংশীদারিত্বের মধ্যে রাজনৈতিক দল, সিভিল সোসাইটি, বেসরকারি খাত, এনজিও, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে যুক্ত করতে হবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বিএনপি দলগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে—আগামীতে তারা সরকারে গেলে অংশীদারিত্বের রাজনীতি অনুসরণ করবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে সমস্যার সমাধান এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করা হবে। বিএনপির ঘোষিত রূপরেখায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন খাতে যে পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নেও এই অংশীদারিত্বের মডেল অনুসরণ করা হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো অধ্যাপক রওনক জাহান ও দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। আলোচনায় আরও অংশ নেন রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এবং গণফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী।

সারাবাংলা/এফএন/এনজে
বিজ্ঞাপন

আজ ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:০০

বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৫২

আরো

সম্পর্কিত খবর