Thursday 08 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভে পুলিশের বাধা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৮ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৪১ | আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৬ ২২:৫১

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে রাজধানীতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে ‘সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট’সহ বিভিন্ন বাম রাজনৈতিক ও শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে এই বিক্ষোভ হয়। এসময় মিছিল নিয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কার্যালয়ের দিকে যান আন্দোলনকারীরা।

জানা যায়, ইনভেস্ট বাংলাদেশ (সাবেক বিডা) কার্যালয়ের সামনে গিয়ে ভবনটিতে গাড়ি প্রবেশে বাধা দেন আন্দোলনকারীরা। তারা বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে বন্দর ইজারার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

বিজ্ঞাপন

পুলিশের বাধার বিষয়ে নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি জানায়, পুলিশের লাঠিচার্জে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য সীমা দত্ত, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন ও নেতা মনিরুজ্জামান মিলন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনীষা চক্রবর্তী এবং ছাত্র ইউনিয়নের আসিফ জামানসহ অনেকে আহত হয়েছেন। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ বিদেশিদের কাছে হস্তান্তর দেশের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।

বিবৃতিতে বলা হয়, শেখ হাসিনার আমলে দেশি অপারেটরদের মাধ্যমে লাভজনক অবস্থায় থাকা এই টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার সেই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করার উদ্যোগ নেয়। পরে আন্দোলনের মুখে তারা পিছিয়ে এলেও, বর্তমান সরকার সব বাধা ও বিরোধ উপেক্ষা করে আজ এই চুক্তি সই করল। সরকার সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোর চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছে, বোয়িং ও এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি এর প্রমাণ।

শেরেবাংলা নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, বিক্ষোভকারীরা ইনভেস্ট বাংলাদেশ কার্যালয়ের সামনে মন্ত্রী-এমপিসহ অনেকের গাড়ির নিচে শুয়ে পড়ছিলেন। একপর্যায়ে পুলিশ বাধ্য হয়ে তাদের সরিয়ে দিয়েছে। এ সময় লাঠি দিয়ে কাউকে আঘাত করা হয়নি।