গোপালগঞ্জ: জেলার কাশিয়ানীতে পথসভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম জামায়াতে ইসলামী কোনো লংমার্চ নিয়ে গোপালগঞ্জের ওপর দিয়ে যাত্রা করল।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গোলচত্বরে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
পথসভায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘সরকার যদি এক দফা দাবির প্রতি সম্মান দেখায়, জনগণের ভোট ও রায়ের প্রতি সম্মান দেখায়, তাহলে সরকার সম্মানিত হবে। আর যদি জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করে, তাহলে সরকার শুধু অপমানিতই হবে না, সরকারকে এর চরম মূল্য দিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি খুব স্পষ্ট। আমরা জনগণের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। আমাদের মূল দাবি হচ্ছে, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ যে রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ দাবি বাস্তবায়ন হলে বাকি ছয় দফাও বাস্তবায়ন হয়ে যাবে।’
এ সময় তিনি গোপালগঞ্জবাসীর প্রতি ১১ দলীয় জোটের সাত দফা দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানান।
এর আগে, লংমার্চের বহর ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পৌঁছালে হাজার হাজার নারী-পুরুষ বহরটিকে স্বাগত জানান। পথসভা শেষে লংমার্চের বহর বাগেরহাট হয়ে খুলনার উদ্দেশে যাত্রা করে।
সাত দফা দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ বেলা ১১টায় গোপালগঞ্জ জেলায় পৌঁছায়। বহরটি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া হয়ে গোপালগঞ্জ শহর দিয়ে বাগেরহাটের দিকে যায়। এ লংমার্চে কেন্দ্রীয় নেতাদের স্বাগত জানাতে বিভিন্ন মোড়ে জড়ো হন জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
লংমার্চকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মহাসড়কের মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মহাসড়কে টহল জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ শুরু হয়। এর আগে শরীয়তপুরের নাওডোবায়ও পথসভা করেন জোটের নেতারা।