দ্বাদশ বিপিএলে ফাইনালের প্রথম ইনিংসে আলো ছড়ালেন তানজিদ হাসান তামিম। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের তরুণ ওপেনার আজ ফাইনালে দুর্দান্ত একটা সেঞ্চুরি করেছেন। তামিমের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ১৭৫ রানের সংগ্রহ গড়েছে রাজশাহী।
আধুনিক টি-টোয়েন্টিতে রানের এই সংখ্যাটা অবশ্য খুব বড় নয়। তবে মিরপুরের পিচ যেমন আচরণ করছে তাতে এই রানকেই বড় সংগ্রহ বলতে হবে!
তানজিদ হাসান তামিম ঠিক ১০০ রান করে আউট হয়েছেন। মাঝে ১৫ বলে ২৪ রানের একটা ইনিংস খেলে গেছেন কেন উইলিয়ামসন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম। মিরপুরের স্লো পিচে রান বেশি উঠছে না। ফলে আগে বোলিং করতে চাওয়াটা স্বাভাবিকই। তবে তানজিদ তামিম চট্টগ্রামের পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছেন।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন। সেটা চলেছে ইনিংসের ১৯তম ওভার পর্যন্ত। পাকিস্তানি অপর ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান অবশ্য তার মতো বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে পারেননি। কিন্তু অন্যপ্রান্তে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন তানজিদ।
শাহিবজাদা ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে ফিরেছেন ১১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে। ওপেনিং জুটিতে রাজশাহী পেয়েছে ৮৩ রান। এরপর তিনে নেমে রানের গতিটা ধরে রাখতে পেরেছেন কেন উইলিয়ামসন। তবে কিউই তারকা ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ। ১৫ বলে দুটি চার ১টি ছয়ে ২৪ রান করে আউট হয়েছেন।
এরপর জেমি নিশাম শেষ দিকে ঝড় তুলতে পারেননি। তামিম ১৯তম ওভারের পঞ্চম বলে ফিরেছেন ঠিক ১০০ রান করে। ৬২ বল খেলে ৬টি চার ৭টি ছয়ে এই রান করেছেন তরুণ ওপেনার। শেষ দিকে ৭ বলে ১১ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
চট্টগ্রামের হয়ে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ২০ রানে ও শরিফুল ইসলাম ৩৩ রানে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মাহেদি আর পাকিস্তানি পেসার আমির জামিলের বাজে দিন কেটেছে বল হাতে। দুজনই উইকেট পাননি। আমির জামিল চার ওভারে খরচ করেছেন ৪৩ রান, আর শেখ মাহেদি ৪৮ রান।