Thursday 08 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে একা আনা ‘গভীর ষড়যন্ত্র’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৩৭

মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান – সংগৃহীত ফাইল ছবি

ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগার থেকে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান-কে একা প্রিজনভ্যানে করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা-নেওয়ার ঘটনাকে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’ বলে মন্তব্য করেছেন তার আইনজীবী নাজনীন নাহার। এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন নাজনীন নাহার।

তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে একটি প্রিজনভ্যানে করে একা আনা-নেওয়া করা হচ্ছে। তার ভাষায়, এভাবে আনা-নেওয়ার বিষয়টি ‘গভীর ষড়যন্ত্র’। অন্য বন্দিদের সঙ্গে তাকে আনা-নেওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আইনজীবী বলেন, বিষয়টি আদালত বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আদেশ পাওয়া যায়নি।

নাজনীন নাহার আরও বলেন, বাংলাদেশে কখনো কখনো আন্দোলন বা কোনো পরিস্থিতির জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। কাউকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়। জিয়াউল আহসানও তেমন একজন বলে তিনি মনে করেন। তার নাম বিভিন্ন ঘটনায় যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন এ আইনজীবী।

জিয়াউল আহসান-এর পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের বিষয়ে নাজনীন নাহার বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়েছে। এ জন্য বার কাউন্সিলেও আবেদন করতে হয়। তবে এখন পর্যন্ত বার কাউন্সিল এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।

বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত পাওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনালেও আবেদন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পরে আদালত এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দিয়েছেন মামলার মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

তিনি এ মামলার ১৫তম সাক্ষী। এদিনও ট্রাইব্যুনালের সামনে মামলার বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন তদন্ত কর্মকর্তা।

জিয়াউল আহসান-এর বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচারিক কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে।