ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সর্বোচ্চ সম্মান জানাতে একটি পুরো বছরকে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘কাজী নজরুল ইসলাম: মানবতার সর্বজনীন কণ্ঠস্বর’ শিরোনামে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি ও জনগণের প্রতি ভালোবাসা এই মূল্যবোধ ও দর্শন দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিল। কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি ও অবদান সংরক্ষণে তার উদ্যোগ থেকেই কবির প্রতি তার ভালোবাসা ও সম্মান স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি কবিকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করেছিলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও কবির প্রতি একই রকম গভীর অনুরাগ ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশালে কবির স্মৃতিতে ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। তারেক রহমান কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে একটি পুরো বছরকে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে উৎসর্গ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয়ভাবে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের এই আয়োজন বিশ্বমঞ্চে নজরুলের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও সর্বজনীন বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এটি নজরুলের ভাবমূর্তির মধ্য দিয়ে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ এবং বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে আত্মবিশ্বাসী ও বৈশ্বিক শান্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশকে তুলে ধরে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ফরেন সার্ভিস একাডেমির পরিচালক, রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা, জাতিসংঘ সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
আয়োজনে নজরুলের কাজকর্ম, জীবন দর্শনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নির্মিত ডকুমেন্টারি দেখানো হয়।