ঢাকা: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগামী ৫ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রকাশিত তালিকায় কোনো নাগরিকের তথ্যে ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য ১৫০ জন সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ইসির যুগ্মসচিব মো. আবদুল হালিম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ইসির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলা এবং ক্যান্টনমেন্ট এলাকার জন্য সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে ১৫০ জন কর্মকর্তাকে নির্দিষ্ট পদবি ও অধিক্ষেত্র উল্লেখ করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ভোটার তালিকা আইন ২০০৯-এর ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রতি বছর ২ জানুয়ারি থেকে ২ মার্চ অথবা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ভোটার তালিকা হালনাগাদের বিধান রয়েছে। সেই অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর ২০০৮ বা তার পূর্বে জন্মগ্রহণকারী নাগরিক—যারা ৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে ডাটাবেজে নিবন্ধিত হয়েছেন বা হবেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। খসড়া তালিকার ওপর প্রাপ্ত দাবি, আপত্তি ও সংশোধন সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তির জন্যই এই সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষ নিয়োগ করা হয়েছে।
ইসির সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৪ নভেম্বরের মধ্যে খসড়া ভোটার তালিকার পিডিএফ প্রস্তুত করে মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কাছে লিংক পাঠানো হবে এবং পরদিন ৫ নভেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর সংক্ষুব্ধ বা আবেদনকারী নাগরিকরা নির্দিষ্ট ফরমের মাধ্যমে আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত দাবি, আপত্তি বা সংশোধনের আবেদন দাখিল করতে পারবেন।
দাখিলকৃত এসব আবেদন সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আগামী ২৩ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে। পরবর্তীতে ২৪ নভেম্বর নিষ্পত্তিকৃত আবেদনের সিদ্ধান্ত ডাটাবেজে সন্নিবেশ সম্পন্ন করে ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত হালনাগাদকৃত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।