বাগেরহাট: ফিঙ্গারপ্রিন্টের বায়োমেট্রিক ছাপযুক্ত রাবারের কিট ও ফিঙ্গার স্ক্যানার ব্যবহার করে বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের সিম অবৈধভাবে নিবন্ধনের অভিযোগে বাগেরহাটে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পুলিশ বলছে, ভুয়া পরিচয়ে নিবন্ধন করা এসব সিম পরে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করা হতো।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন— মামুন আলী খাঁ (৩০), জিহাদ বিশ্বাস (২৩) ও লিটু বিশ্বাস বাবু (২২)।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাট সদর মডেল থানার কার্তিকদিয়া গ্রামে মামুন আলী খাঁ-র বাড়িতে অভিযান চালায় ডিবির একটি দল। সেখানে বিভিন্ন ব্যক্তির ফিঙ্গারপ্রিন্টের ছাপযুক্ত রাবারের কিট ও ফিঙ্গার স্ক্যানার ব্যবহার করে বিভিন্ন কোম্পানির সিম অবৈধভাবে সক্রিয় করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল বলে দাবি পুলিশের।
অভিযানে একটি ফিঙ্গার স্ক্যানার মেশিন, চারটি ইউএসবি পোর্ট, গ্রামীণফোনের ২১টি অব্যবহৃত সিম কার্ড, ফিঙ্গারপ্রিন্টের বায়োমেট্রিক ছাপযুক্ত ১৪১টি রাবারের কিট এবং প্লাস্টিকের একটি পেপারে থাকা ফিঙ্গারপ্রিন্টের ছয়টি ছাপ জব্দ করা হয়।
পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘গ্রেফতার ব্যক্তিরা ফিঙ্গারপ্রিন্টের কৃত্রিম ছাপ ব্যবহার করে সিম নিবন্ধনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এসব সিম পরে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হতো।’
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।