নীলফামারী: ঢাকায় রাকিব ইসলাম (১৮) নামে এক যুবককে হত্যার পর মরদেহ নীলফামারীর ডিমলায় এনে নিজ বসতভিটায় পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে মামুন (১৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে মরদেহটি বসতভিটা খুড়ে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মামুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইলের গোপালপুর এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে। তিনি ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকার কাফরুল থানাধীন শ্যাওড়াপাড়ায় অনার্স ভর্তি কোচিং করতে গিয়ে অভিযুক্ত মামুনের সঙ্গে পরিচিত হন।
জানা গেছে, ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মেয়েঘটিত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এর দুইদিন পরেই মরদেহ নিজ বাড়িতে এনে পুতে রাখে মামুন। এরপর এআই দিয়ে মামুনকে জীবিত দেখিয়ে ভিডিও বানিয়ে ৪ লাখ টাকা নিহতের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করেন অভিযুক্ত।
অভিযুক্ত মামুন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বসুনিয়াপাড়া এলাকার আফসার আলীর ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, হত্যার পর রাকিবের মরদেহ একটি বাক্সে করে ঢাকা থেকে ডিমলায় এনে স্বজনদের পচা মাছ বলে নিজ বসতভিটায় মদেহ পুঁতে রাখা হয়।
নিহত যুবকের মামা হাফিজুর রহমান জানান, আমার ভাগিনা অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। সে মেডিকেলে পড়ার জন্য ঢাকায় কোচিং করতে এসেছিল। এখনো তাকে হত্যার কারণ আমরা জানতে পারিনি। পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। আমরা চাই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক।
ডিমলার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঢাকায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।