যশোর: যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ১০টা ১৫ মিনিটে নিয়মিত ফ্লাইটে তিনি যশোর বিমান বন্দরে অবতরণ করেন।
এ সময় বিমানবন্দরে স্থানীয় বিএনিপর শীর্ষ নেতারা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। পরে বাসে চড়ে সড়ক পথে শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে শার্শার উলাসী খাল খননের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
সেখানে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাশী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন। একইসঙ্গে পুনঃখননস্থলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন তিনি। সেখান থেকে ফিরে দুপুর সোয়া ১টায় যশোর শহরে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
দুপুর দেড়টায় প্রধানমন্ত্রী যশোরের পৌনে দুইশ বছরের প্রাচীন ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করবেন। এরপর যশোর সার্কিট হাউজে নামাজ ও দুপুরের খাবারের বিরতির পর বিকেল সাড়ে তিনটায় যশোর ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে যশোর ছাড়বেন।
এদিকে দলীয় প্রধানের আগমন ঘিরে যশোরে সাজসাজ রব। জেলার ৮ উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল স্লোগান নিয়ে শহরের ঈদগাহ মাঠে জড়ো হচ্ছেন। বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী জনসভায় ভাষণ দিলেও উৎসাহ নিয়ে বিভিন্ন খাবার নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসতে দেখা গেছে।
বিএনপি নেতারা বলছেন, সরকার প্রধানের আগমনের এই দিন যশোর উৎসবের শহরে পরিণত হবে। শহরে ও শহরতলিতে, গ্রাম পর্যায়েও চলছে মাইকিং। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছেন যশোরবাসী। এই সফর যশোরসহ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থা এবং মানুষের জীবনযাত্রায় মান উন্নয়ন ঘটবে এমনটিই আশা সবার। নানা প্রত্যাশা ও দাবি দাওয়া বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি দিয়ে উন্নয়ন ও দিন বদলের নেতৃত্ব দেবেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আশাবাদ এ অঞ্চলের গণমানুষের।
যশোর জেলা বিএপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক এই জনসভায় লক্ষাধিক লোক সমাগমের টার্গেট করছেন। এর বেশিরভাগ লোকই আসবে শহরের বাইরে থেকে। বৃহত্তর যশোরের চার জেলা ছাড়াও খুলনা বিভাগের অন্য ১০ জেলা থেকেও কমবেশি মানুষ জনসভায় আসবেন। একটি শান্তিপূর্ণ ঐতিহাসিক জনসভা উপহার দেওয়ার চেষ্টা করছে জেলা বিএনপি।