Tuesday 02 Jun 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

জৈষ্ঠ্যের তপ্ত দুপুরে তৃষ্ণা মেটাচ্ছে ১০ টাকার তালশাঁস

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২ জুন ২০২৬ ১৯:৩১ | আপডেট: ২ জুন ২০২৬ ১৯:৩২

কচি তাল নিয়ে বসে আছেন বিক্রেতা।

গাইবান্ধা: জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহে যখন জনজীবন অতিষ্ঠ, তখন গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন সড়ক ও মোড়ে মৌসুমি ফলের সমাহার কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা নিয়ে বাজারে দেখা মিলছে লিচু, আম ও ডাবের পাশাপাশি রসাল কচি তালশাঁসের। প্রচণ্ড গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং তৃষ্ণা মেটাতে অনেকেই ঝুঁকছেন সহজলভ্য এই মৌসুমি ফলের দিকে।

শহরের ডিবি রোড, রেলগেট, পৌরপার্ক সংলগ্ন এলাকা, কলেজ রোড ও বাসস্ট্যান্ডের আশপাশে ভ্যানগাড়ি ও অস্থায়ী দোকানে বিক্রি হচ্ছে কচি তালশাঁস। গাছ থেকে নামিয়ে আনা কচি তাল কেটে সাদা, স্বচ্ছ ও নরম শাঁস ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন বিক্রেতারা। গরমে ক্লান্ত পথচারীদের অনেকেই থেমে তালশাঁস খেয়ে নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

বিক্রেতারা জানান, নওগাঁ জেলার গ্রামাঞ্চল থেকে কচি তাল সংগ্রহ করে শহরে আনা হচ্ছে। গাছে এখনও তাল পুরোপুরি পরিপক্ব না হলেও কচি অবস্থায় এর চাহিদা বেশ ভালো। প্রতিটি তালে সাধারণত দুই থেকে তিনটি শাঁস পাওয়া যাচ্ছে। আকারভেদে প্রতি তাল ২০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সর্বনিম্ন ১০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে একটি তালশাঁস।

শহরের মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন, ‘এই গরমে তালশাঁস খেলে শরীর অনেকটা সতেজ লাগে। ডাবের মতোই এটি প্রাকৃতিকভাবে শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তাই সুযোগ পেলেই কিনে খাই।’

অপর এক ক্রেতা শারমিন আক্তার বলেন, ‘শিশুরাও তালশাঁস খুব পছন্দ করে। গরমে বাইরে বের হলে মাঝেমধ্যে কিনে দিই।’

রামচন্দ্রপুর পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. আবু সাঈদ ফেরদাউস বলেন, ‘তালশাঁসে প্রচুর পানি ও খনিজ উপাদান থাকায় এটি গ্রীষ্মকালে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়ক। পাশাপাশি এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টিগুণ স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও ভূমিকা রাখে।’

এদিকে রংপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত দুইদিন থেকে রংপুর বিভাগের জেলার তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ফলে গরম থেকে স্বস্তি পেতে মানুষ মৌসুমি ও রসালো ফলের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।

সারাবাংলা/এআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর