ঢাকা: দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মী পরিচয়ে পথকুকুর তুলে নেওয়া ও সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়ার তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বার্তা দিয়েছে ডিএসসিসি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে ডিএসসিসি কর্মী পরিচয়ে পথকুকুর তুলে নেওয়া সংক্রান্ত কিছু বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ওই প্রচারণায় দাবি করা হয়েছে- ডিএসসিসি’র কর্মীরা উদ্দেশ্যহীনভাবে কুকুর তুলে নিয়ে যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে হুমকি দিচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঢাকা ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ এই বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
এতে বলা হয়, নগরবাসীকে যেকোনো ধরনের জনদুর্ভোগ এবং ‘পাবলিক নুইসেন্স’ থেকে রক্ষা করা সিটি করপোরেশনের একটি অন্যতম মৌলিক ও আইনি দায়িত্ব। ডিএসসিসির কোনো এলাকায় পাগলা কুকুরের উপদ্রব দেখা দিলে কিংবা কুকুরের কামড়ে সাধারণ মানুষ (বিশেষ করে শিশু ও পথচারী) আহত হওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে, জননিরাপত্তার স্বার্থে করপোরেশন সেখানে তাৎক্ষণিক ও নিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপ নেয়। এ ধরনের অসুস্থ বা আক্রমণাত্মক কুকুরগুলোকে নিয়ে ভেটেরিনারি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে বৈজ্ঞানিক উপায়ে বন্ধ্যাকরণ এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হয়, যাতে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি না থাকে।
ডিএসসিসি জানায়, চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ শেষে নিয়মানুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ডিএসসিসি কোনো অবস্থাতেই কুকুর নিধন বা প্রাণীর প্রতি অমানবিক আচরণ সমর্থন করে না। বরং প্রাণিসম্পদ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে পরিবেশের ভারসাম্য ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে করপোরেশন সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও মানবিক পদ্ধতি অনুসরণ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএসসিসি’র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। এই অপপ্রচার থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করা হচ্ছে এবং গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে, নগরবাসীকে বিভ্রান্ত না হতে এবং গণমাধ্যমসহ সচেতন নাগরিকদের সঠিক তথ্য প্রচারের মাধ্যমে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।