Thursday 08 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে পাঁচ শর্ত দিল ইরান

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
২৫ মার্চ ২০২৬ ১৩:২৪
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরান পাঁচটি শর্ত দিয়েছে।

বৃহষ্পতিবার (২৫ মার্চ) মিডল ইস্ট মনিটর ও মিডল ইস্ট আই এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (২৩ মার্চ) হিব্রু সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে এ যুদ্ধ চলছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানি প্রতিনিধিরা ট্রাম্প প্রশাসনকে জানিয়ে দিয়েছে যে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির আলোচনায় ফেরার জন্য তাদের কঠোর শর্ত রয়েছে। আইআরজিসি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ করা এবং ইরানের ওপর হামলার জন্য ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবি জোরালোভাবে জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বলা হয়েছে, অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালীর জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা, যা ইরানকে ট্রানজিট ফি আদায়ের সুযোগ দেবে; যুদ্ধ পুনরায় শুরু না হওয়ার নিশ্চয়তা; হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করা; ইরানের ওপর থেকে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার; এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার জন্য কোনো আলোচনা ছাড়াই তা চালু রাখা।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা জার্নালকে এই দাবিগুলোকে “হাস্যকর ও অবাস্তব” বলে বর্ণনা করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরব ও মার্কিন কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে, নতুন কূটনৈতিক পর্বের প্রাথমিক বার্তাগুলো গত সপ্তাহের শেষের দিকে মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি কোনো যোগাযোগ ছিল না।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সংঘাত নিরসনে ইরান কিছু কঠোর আনুষ্ঠানিক দাবি তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কর্মকর্তারা এ নিশ্চয়তা চাইছেন যে যুদ্ধ আর নতুন করে শুরু হবে না। পাশাপাশি তারা হরমুজ প্রণালির জন্য এমন একটি নতুন ব্যবস্থা চাচ্ছেন, যার মাধ্যমে ওই এলাকা কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। সেই সঙ্গে যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণও চেয়েছে তারা।

এ ছাড়া বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে ইরান। তাদের দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা শত্রুভাবাপন্ন কার্যকলাপে জড়িত সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের বা ব্যক্তিদের তাদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে অথবা তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

সোমবার ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন বেশ কিছুদিন ধরে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে এবং ‘এবার তারা (ইরান) বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে’।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর