Tuesday 19 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

এবার হজের খুতবা দেবেন শায়খ আলী হুজাইফি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৯ মে ২০২৬ ১৮:৪৩ | আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ ১৯:১১

শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুজাইফি। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা অর্থাৎ আরাফা দিবসের খুতবা দেওয়ার জন্য মসজিদে নববীর প্রবীণ ইমাম ও খতিব শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল হুজাইফিকে মনোনীত করা হয়েছে। সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ এক রাজকীয় আদেশের মাধ্যমে তাকে এই বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছেন।

সৌদি আরবের রাজকীয় আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৯ জিলহজ ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানের মসজিদে নামিরাহ থেকে তিনি এই খুতবা পাঠ করবেন, যা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমান সরাসরি শোনার সুযোগ পাবেন।

আরাফাতের ময়দানে সমবেত হওয়া হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র সুন্নাত মেনে প্রতি বছর মসজিদে নামিরাহ থেকে এই খুতবা দেওয়া হয়। খুতবা শেষ হওয়ার পর হাজিরা সেখানে একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত মহান আল্লাহর দরবারে ইবাদত ও প্রার্থনায় মগ্ন থাকেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণী অনুযায়ী, আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করাই মূলত হজ।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত ধীরস্থির ও সুমধুর কোরআন তেলাওয়াতের জন্য সমাদৃত শায়খ আলী হুজাইফি ১৯৪৭ সালের ২২ মে সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশের আল-কারন আল-মুস্তাকিম অঞ্চলে জন্ম নেন। তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা জীবনও বেশ উজ্জ্বল। ১৯৭২ সালে ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক শেষ করার পর তিনি মিশরের বিখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৫ সালে ইসলামিক শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ১৯৭৯ সাল থেকে মদিনার মসজিদে নববীতে ইমাম ও খতিবের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দীর্ঘ সাড়ে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এই সম্মানিত পদে যুক্ত থাকার পাশাপাশি ১৯৮১ সালের রমজানে তিনি মক্কার মসজিদুল হারামে তারাবিহ নামাজের ইমামতিও করেছিলেন। এছাড়া ১৯৮৭ সালে মদিনার ঐতিহাসিক কুবা মসজিদেও তিনি ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বরাবরের মতোই এবারও আরাফাতের এই ঐতিহাসিক খুতবাটি বাংলাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রধান ভাষায় সরাসরি অনুবাদ করে প্রচার করা হবে। ধারণা করা হচ্ছে, শায়খ হুজাইফির এই বক্তব্যজুড়ে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য, সম্প্রীতি ও বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ইসলামের জরুরি দিকনির্দেশনাগুলো প্রাধান্য পাবে।

সারাবাংলা/এনএল/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর