Saturday 09 May 2026
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

গাবতলী বাস টার্মিনালে যাত্রী সংকটে অলস সময় পার করছে পরিবহন শ্রমিকরা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৮ মার্চ ২০২৬ ১৩:৪৩
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

ঢাকা: ঈদুল ফিতরের আর মাত্র এক-দুইদিন বাকি থাকলেও রাজধানীর অন্যতম প্রধান বাস টার্মিনাল গাবতলীতে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। প্রতি বছর এই সময়ে যেখানে তিল ধারণের ঠাঁই থাকে না, সেখানে আজ বুধবার দেখা গেছে নীরবতা। হাতেগোনা কিছু যাত্রী ছাড়া কাউন্টারগুলোতে নেই কোনো ভিড়। ফলে অলস সময় পার করছেন টিকিট মাস্টার ও পরিবহন শ্রমিকরা।

বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে গাবতলী টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, বাস কাউন্টারগুলো বেশিরভাগই ফাঁকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, টার্মিনাল দেখলে মনেই হবে না যেন ঈদ করতে বাড়ি যাওয়ার সময় এখন। টিকিট বিক্রেতারা হাঁকডাক দিলেও যাত্রীদের সাড়া মিলছে না। অনেক বাস অর্ধেক আসন খালি রেখেই টার্মিনাল ছেড়ে যাচ্ছে। আবার অনেকে যাত্রী সংকটের কারণে তাদের বাস অন্য রুটে দিয়ে দিয়েছে। ফলে ফাঁকা কাউন্টারে মোবাইল পরিবহন শ্রমিকরা সময় পার করছেন। আবার কেউ কেউ কাউন্টার বন্ধ করে বাহিরে সময় কাটাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

কুষ্টিয়াগামী যাত্রী রফিক আহমেদ সারাবাংলাকে বলেন, ভেবেছিলাম অনেক ভিড় হবে, কিন্তু এসে দেখি কাউন্টার ফাঁকা। কোনো ঝক্কি ছাড়াই টিকিট পেলাম, তবে বাস ছাড়তে দেরি করছে, কারণ যাত্রী পূর্ণ হচ্ছে না।

পটুয়াখালী রিজিয়া পারভীন সারাবাংলাকে বলেন, ঈদ করতে পরিবার নিয়ে বাড়ি যাবো। আগে টিকিট কাটি নাই। আজ গাবতলীতে কোনো ভিড় নাই কিন্তু টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ, যাত্রী কম থাকার কারণে অনেকেই টিকিট বিক্রি করতে চাচ্ছে না।

যশোরগামী সুমাইয়া সারাবাংলাকে বলেন, আজ কাউন্টারে এসে টিকিট কেটেছে। যাত্রী কম হওয়ার কারণে ১ ঘণ্টা পার হয়েছে বাস ছাড়ছে না।

হানিফ এন্টারপ্রাইজের একজন কাউন্টার ম্যানেজার রফিক সারাবাংলাকে বলেন, গত বছর এই সময়ে টিকিট দেওয়ার সময় পেতাম না। আর এখন যাত্রী ডাকতে ডাকতে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে।

দর্শনা ডিলাক্স ও দিগন্ত পরিবহনের কাউটারে কথা বললে তারা বলেন, ঈদ হিসেবে যাত্রী নাই। স্বাভাবিক সময়েও ৩০ থেকে ৩৫ যাত্রী নিয়ে একটু পর পর গাড়ি ছাড়ি। কিন্তু এখন দুইজন পাঁচজন যাত্রী নিয়ে তো আর গাড়ি ছাড়া যায় না। সকাল থেকেই কোনো চাপ নাই। যারা অগ্রিম টিকিট কেটেছিল শুধু সেই গাড়িগুলোই ছেড়েছি।

সোহাগ পরিবহন, রয়েল এক্সপ্রেস, ঈগল পরিবহন, রাবেয়া পরিবহন, পূর্বাশা পরিবহন ও সাকুরা পরিবহনের কাউন্টার জানায়, যাত্রী নাই তাই কাজও নাই। গল্প করে সময় পার করছেন তারা। এবারের ঈদের কোনো সময়টাই যাত্রীর চাপ ছিল না। সায়েদাবাদে যাত্রীর চাপ থাকায় তাদের বেশিরভাগ গাড়ি ওই দিকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি, সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় তারা যাত্রী পরিবহন করছেন বলেও জানান।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর