ঢাকা: যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্তি বা সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পূর্ণাঙ্গ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও তার সত্যতা যাচাইয়ের গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।
মাহদী আমিন বলেন, অনেক সময় স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আংশিক ভিডিও বা ছবি ছড়িয়ে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, কিছু মহল অশালীন আচরণ ও অশ্রাব্য ভাষাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়া হাইপের বিপরীতে নির্বাচনি ফলাফল থেকেই এটি স্পষ্ট যে, এই ধরনের কৌশলের কারণে তারা জনমানুষ থেকে ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের নিয়ে নামে-বেনামে ধারাবাহিকভাবে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করা এক ধরনের গুপ্ত স্বৈরাচারী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। সুস্থ ও গঠনমূলক রাজনীতির স্বার্থে এখন প্রয়োজন সংযত ভাষা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং ইতিবাচক আলোচনার সংস্কৃতি গড়ে তোলা।
বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মতভিন্নতা থাকতেই পারে, কিন্তু তা প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা ও দায়িত্ববোধ বজায় রাখা অপরিহার্য। ন্যায়সঙ্গত অবস্থান ও সুস্থ রাজনৈতিক চর্চাই একটি গণতান্ত্রিক সমাজকে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তোলে।