Friday 23 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করছে না সরকার, আংশিকভাবে চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:২৯ | আপডেট: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:০৮

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

ঢাকা: বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ‘বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করতে ৪০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। আমার মনে হয় না বিমানবন্দরের নাম ফের জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করতে এতোটা টাকা প্রধানমন্ত্রী খরচ করবেন। আর আগামী ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল ওপেনিং করার পর আরও কয়েকমাস সময় লাগতে পারে ফুল ওপেনিংয়ের জন্যে।’

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আজকের পরিদর্শনের আসল উদ্দেশ্য আমরা থার্ড টার্মিনাল চালু করতে চাই। ফ্যাসিস্ট আমলে এটি চালু করতে তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘১৬ ডিসেম্বর আমরা থার্ড টার্মিনাল পার্শিয়ালি চালু করতে চাই, যাতে ১-২টা প্লেন থার্ড টার্মিনাল থেকে চলতে পারে। যেভাবেই হোক ১৬ ডিসেম্বর এটা ওপেন করে দিতে হবে। ডিসেম্বরের ওপেনিংয়ের পর আরও হয়তো কয়েকমাস লাগতে পারে ফুল ওপেনিংয়ের জন্যে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি, এখানে আগামী বছর থেকে অনেক ইনভেস্টর আসবে। এয়ারপোর্টে নেমেই যাতে মানুষ বুঝতে পারে দেশের অবস্থা কী, সেভাবেই এই টার্মিনালের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘বিমানবন্দর চালু করতে জাপানি প্রতিষ্ঠানকে এ ব্যাপারে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়ে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে সিভিল এভিয়েশন টার্মিনালের দায়িত্ব বুঝে নেবে। থার্ড টার্মিনালের পুরো কাজ সম্পন্ন হলে ২০০ থেকে ২৫০ এয়ারক্রাফট হ্যান্ডেল করা সম্ভব হবে। আর টার্মিনাল থেকে আয়ে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব ১৫% থেকে বাড়িয়ে ২৭% করা হয়েছে।’

রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘এখন যেমন লাগেজ আসতে দেরি হয়, আমরা সেই সময়টা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি। ১৫ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ ক্লিয়ার করতে হবে, না হলে তাদের সিভিল অ্যাভিয়েশন জরিমানা করবে।’

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর