ঢাকা: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগ স্থাপন হলে তেজগাঁও টোল প্লাজাসহ পুরো এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদীয় অধিবেশনে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলামের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এসব কথা জানান।
সংসদে মন্ত্রী বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি পিপিপি মডেলের আওতায় তিনটি ধাপে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমানে কাওলা থেকে এফডিসি ক্রসিং পর্যন্ত চালুকৃত অংশে তেজগাঁও ও বিমানবন্দর টোল প্লাজায় তুলনামূলক বেশি চাপ দেখা দিচ্ছে। বর্তমানে শুধুমাত্র তেজগাঁও টোল প্লাজা ব্যবহার করে উত্তরাংশে যাতায়াত করতে হচ্ছে। তবে সোনারগাঁও গোলচত্বর হতে নতুন র্যাম্প নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে এবং ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগ তৈরিতে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে, যা সম্পন্ন হলে এই চাপ কেটে যাবে।
টোল প্লাজায় যানজট ও ধীরগতি নিরসনে নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী জানান, এক্সপ্রেসওয়েতে ইতিমধ্যে অটোমেটিক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন বা ইটিসি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বর্তমানে বিমানবন্দর, কুড়িল, বনানী ও তেজগাঁও টোল প্লাজার মোট সাতটি লেনে এই প্রযুক্তি স্থাপন করা হয়েছে এবং এর আওতায় ১ হাজার ৮৭৭টি গাড়ি নিবন্ধিত হয়েছে।