Thursday 07 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সংরক্ষিত নারী আসন
শীর্ষ উপার্জনকারী ১০ জনই বিএনপির: সুজন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৭ মে ২০২৬ ১৮:২১

জাতীয় প্রেস ক্লাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত ৫০ সংসদ সদস্যের মধ্যে বার্ষিক আয়ের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ জনই সরকারি দল বিএনপির মনোনীত সদস্য। এর মধ্যে কোটি টাকার উপরে আয় করেন এমন সদস্য রয়েছেন চার জন।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।

নবনির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে ‘সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তথ্য উপস্থাপন’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রতিবেদন তুলে ধরেন সুজনের প্রধান সমন্বয়কারী দিলিপ কুমার সরকার।

বিজ্ঞাপন

সুজনের তথ্য মতে, শীর্ষ উপার্জনকারী ১০ জন সংসদ সদস্য হলেন- শামীম আরা বেগম স্বপ্না, জহরত আদিব চৌধুরী, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, আন্না মিনজ, সুলতানা আহমেদ, সানজিদা ইসলাম, নিপুণ রায় চৌধুরী, বিথীকা বিনতে হোসাইন এবং সেলিমা রহমান।

আয়কারীদের এই তালিকায় বার্ষিক আয়ের অংকে সবার উপরে রয়েছেন শামীম আরা বেগম স্বপ্না, যার বাৎসরিক আয় ৪ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৫০৬ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জহরত আদিব চৌধুরীর বার্ষিক আয় ৩ কোটি ১৭ লাখ ২৮ হাজার ৩৯৩ টাকা। এছাড়া সাকিলা ফারজানার আয় ৩ কোটি ৭১ হাজার ১২৩ টাকা এবং আন্না মিনজের আয় ১ কোটি ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ২৪৬ টাকা। এই চারজনই বার্ষিক কোটি টাকার অধিক আয়কারী হিসেবে তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আয়ের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে দিলিপ কুমার সরকার জানান, বাৎসরিক ৫ লাখ টাকা বা তার চেয়ে কম আয় করেন এমন সদস্যের সংখ্যা মাত্র ১৩ জন, যা মোট সদস্যের ২৬ শতাংশ। এই স্বল্প আয়কারীদের মধ্যে ১১ জনই সরকারি জোটভুক্ত ১১ দলীয় জোট থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়া বছরে পাঁচ লাখ টাকা থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করেন ১৯ জন সদস্য, যা ৩৮ শতাংশ। ২৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা আয় করেন পাঁচ জন এবং ৫০ লাখ টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত আয় করেন দু’জন সদস্য। উল্লেখ্য যে, হলফনামায় আয়ের ঘর পূরণ করেননি সাত জন সদস্য।

সুজনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিগত সংসদের তুলনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্বল্প আয়ের সদস্য যেমন বেড়েছে, তেমনি অধিক আয়ের সদস্যদের হারও সমানুপাতিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্যগুলোকে রাজনৈতিক স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বলে অভিহিত করা হয়।

সারাবাংলা/এফএন/পিটিএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর