ঢাকা: রাজধানীর গুলশানের কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামে এক তরুনীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত তরুণী একটি পার্লারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গুলশানে পশ্চিম কালাচাঁদপুর একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।
গুলশান থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. মারুফ হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ওই তরুনীর বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ি উপজেলায়। বর্তমানে পশ্চিম কালাচাঁদপুরের বাসায় থাকতেন এবং একটি পার্লারে কাজ করার পাশাপাশি বারেও কাজ করতেন।
তিনি আরও জানান, ওই তরুণীর দুটি বিয়ে হয়েছিল। প্রথম স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়েছে অনেক আগেই। ওই ঘরে এক মেয়ে সন্তান আছে সে তার নানীর কাছে থাকে। দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে গত আট মাস আগে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। ওই কালাচাঁদপুরে বাসায় মীমের সঙ্গে নুসরাত নামে আরও এক তরুণী থাকতেন। তবে ঘটনার সময় তিনি দেশের বাড়ি শরিয়তপুর ছিলেন বলে দাবি করেন।
এসআই জানান, গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) মীমের বোন সাদিয়া আক্তারের সঙ্গে শেষ কথা হয়। এরপর থেকে মীমের মোবাইল বন্ধ পায় বোন সাদিয়া। গতকাল বিকেলে সাদিয়া আক্তার কালাচাঁদপুরে বাসায় এসে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ পেয়ে পরে তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে মীমের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পায়। পরে তিনি থানায় খবর দেন।
এসআই মারুফ হাসান বলেন, ‘গলা কাটা ছাড়া শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’