মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) তাদেরকে স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া মৌয়ালরা হলেন- সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনি গ্রামের সাবুত আলী সরদারের ছেলে শুকুর আলী সরদার, একই উপজেলার কাশিমাড়ি গ্রামের আদম মোল্লার ছেলে আব্দুল লতিফ মোল্লা, পশ্চিম বিড়ালক্ষি গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে তৈয়বুর রহেমান ও একই গ্রামের ফেরদৌস হোসেনের ছেলে রাশিদুল ইসলাম।
নিখোঁজ থাকা অন্য মৌয়ালের নাম শওকত আলী গাজী। তিনি শ্যামনগর উপজেলার ছোট কুপট গ্রামের অবের আলী গাজীর ছেলে শওকত আলী গাজী।
সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক মশিউর রহমান-এর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, গত পহেলা এপ্রিল বুড়িগোয়িালিনি স্টেশন থেকে পাস (অনুমতি) নিয়ে শওকত আলীসহ পাঁচজন সুন্দরবনে মধু আহরনে যান। গত ৮ এপ্রিল দাড়গাং এর মুখ থেকে কাচিকাটার দিকে যাওয়ার সময় ঝড়ের কবলে পড়ে তাদের ট্রলারটি দিক হারিয়ে রায়মঙ্গল নদীর পশ্চিম দিকে ভারতের অংশে ঢুকে পড়ে।
এদের মধ্যে একজনকে ভারতীয় বনবিভাগ আটক করে। দুই দিন পর তারা একত্রিত হয়ে ভারতীয় বনবিভাগের হাত থেকে বাঁচতে অস্থায়ী ভেলা তৈরি করে ছাড়া নদীর পাড়ে আসে। ১৩ এপ্রিল হলদেবুনিয়া টহল ফাঁড়ির বোর্টের দেখা পেয়ে তাদের চিৎকার শুরু করে। বনবিভাগ মঙ্গলবার ভোরে চারজনকে উদ্ধার করে নোটাবেকি অফিস হয়ে বুড়িগোয়ালিনি স্টেশন অফিসে নিয়ে আসে। তবে শওকত হোসেন-এর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
তিনি আরো জানান, গত ৮ এপ্রিল সুন্দরবনের কাচিকাটা এলাকায় ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ হওয়া আট জনের মধ্যে এ পর্যন্ত সাতজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে শ্যামনগর উপজেলার গোদাড়া গ্রামের আমিন মোল্লার ছেলে আকবর হোসেন-কে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।