ঢাকা: ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২০২৭ কার্যকরী কমিটির নির্বাচনের দ্বিতীয় দিনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে আইনজীবীরা উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিচ্ছেন।
ভোটকে ঘিরে ঢাকার নিম্ন আদালত এলাকায় প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের ভোটগ্রহণে ২ হাজার ৭৫৯ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. বোরহান উদ্দিন জানান, বৃষ্টির কারণে প্রথম দিনে ভোট কিছুটা কম পড়লেও সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় তারা সন্তুষ্ট। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্বিতীয় দিনে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে দুটি প্রধান প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত আইনজীবীরা ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল’ (নীল প্যানেল) থেকে এবং জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবীরা ‘ঐক্য পরিষদ’ (সবুজ প্যানেল) থেকে নির্বাচন করছেন। দুই প্যানেলে মোট ৪৬ জন প্রার্থীর পাশাপাশি স্বতন্ত্র হিসেবে আরও ৮ জন প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবারই প্রথম আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। তবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কয়েকজন আইনজীবী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে চাইলেও অনুমতি না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল কালাম খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এস. এম. কামাল উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে লড়ছেন, যার মধ্যে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদ উল্লেখযোগ্য।
সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এবং বিজয়ের আশায় দুই প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।