ঢাকা: ভারতের নয়াদিল্লির বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের ফেরত আসা একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। দিনশেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটা বিবৃতি দেবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
উল্লেখ্য, রোববার (১৪ জুন) ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান দিল্লি গিয়েছিলেন ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ) সম্মেলনে যোগ দিতে। সেখানে প্রবেশে তিনি বাধা পান। পরে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের ভারত সফর নিয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রমালয়কে আগেই জানিয়েছিল ঢাকা। তবে তার পরেও কেন তাকে প্রবেশে বাধা দেয়া হলো এরই মধ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন খোঁজ খবর নিতে শুরু করেছে। এ বিষয়ে।বিস্তারিত জানার পর ঢাকার পক্ষ থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
সূত্র জানায়, ঘণ্টাখানেক বসিয়ে রেখে বিভিন্ন প্রশ্ন করার পর প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা পদে থাকা জাহেদ উর রহমানকে ভারতের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের আচরণ যথাযথ না হওয়ায়, উপদেষ্টা ভারতে প্রবেশে অস্বীকৃতি জানান। তিনি ভারত থেকে কলম্বো হয়ে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
উপদেষ্টা জাহেদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাওয়ার যোগ্য। তবে তিনি রোববার বিকেল তিনটা ২০ মিনিটে সাধারণ পাসপোর্টে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ঢাকা থেকে যাত্রা করেছিলেন। দিল্লির বিমানবন্দরে নামার পর তাকে ভারতের নজরদারি তালিকা অনুযায়ী আটকে দেওয়া হয়।
এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সিএনএন-নিউজ১৮ সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের নাম ভারতের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নজরদারি তালিকায় ছিল। দিল্লি বিমানবন্দরে নিয়মিত তল্লাশির সময় অভিবাসন কর্মকর্তারা তাঁকে শনাক্ত করেন। এরপর যাচাইয়ের জন্য তাকে নানা প্রশ্ন করা হয়।