ইউক্রেনের শহর ক্রামাতোরস্ক দুটি বেসামরিক বাসে রাশিয়ার গ্লাইড বোমা হামলায় অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৮ জন।
দোনেৎস্ক অঞ্চলের প্রধান ভাদিম ফিলাশকিন বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ দুর্ঘটনার নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, যাত্রীবাহী একটি বাসকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।
ক্রামাতোরস্ক ও পাশের স্লোভিয়ানস্ককে রাশিয়ার দখল অভিযানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। শহর দুটি তথাকথিত ‘ফোর্ট্রেস বেল্ট’-এর অংশ, যা ইউক্রেনের শিল্পাঞ্চল দোনেৎস্কের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার রুশ প্রচেষ্টার কেন্দ্রে রয়েছে।
এই হামলার একদিন আগে রাজধানী কিয়েভের পূর্বে প্রিলুকিতে পাঁচতলা একটি আবাসিক ভবনে হামলায় ২২ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে পাঁচ শিশু ছিল।
সর্বশেষ হামলা নিয়ে মস্কোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, হামলার পর যাত্রীবোঝাই দুটি বাসে আগুন ধরে যায়। দোনেৎস্ক অঞ্চলে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ এলাকায় চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফিলাশকিন।
নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে ক্রামাতোরস্ক ও স্লোভিয়ানস্কে সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে বড় ধরনের রুশ হামলার আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। এর পর কিয়েভে পরিবারগুলো নিরাপত্তার জন্য মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেয়। রুশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশ্বিক সংকট থাকায় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাও চাপে রয়েছে।