চট্টগ্রাম: জেলার সীতাকুণ্ডে পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন-কে আটকের চার ঘণ্টা পর ফের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন।
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দফতরের দায়িত্বে থাকা) মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত প্রেস রিলিজে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন সীতাকুণ্ড মডেল থানা এলাকায় গেলে সেখানে গাড়ি রাখা নিয়ে মডেল থানার কনস্টেবল ও ওসির গাড়ি চালক মো. শফিক-এর সাথে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে কনস্টেবল শফিক-কে মারধরও করেন ইসমাইল। এ ঘটনার পর পুলিশ তাকে আটক করে। খবর পেয়ে বিএনপি, যুবদল ও অন্যান্য নেতাকর্মীরা থানায় ভিড় জমাতে থাকে। দীর্ঘ চার ঘণ্টা এ নিয়ে দেনদরবারের পর পুলিশ নেতাকর্মীদের জিম্মায় তাকে মুক্তি দেন।
এদিকে এ ঘটনা মিডিয়ায় প্রচারের পর যুবদলের হাইকমান্ড তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করেন। ঘটনার বিষয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদর বলেন, সামান্য কথা কাটাকাটির ঘটনার জেরে এসব ঘটনা ঘটেছে।
সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, ইসমাইল পুলিশ সদস্যের গায়ে হাত তোলায় তাকে আটক করা হয়েছিল। পরে দলের নেতাকর্মীরা তার জন্য তদবির করেন এবং সে ভবিষ্যতে আর এ ধরনের ঘটনা করবে না মর্মে মুচলেকা দিলে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।