Tuesday 19 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৯ মে ২০২৬ ১৮:৫৪ | আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ ১৯:৩৭

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: এ বছর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর নিজ দফতরে বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীনের আনুষ্ঠানিক যোগদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আপনাদের কি পরিকল্পনা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এরইমধ্যে সংসদে সিটি করপোরেশন সংশোধন আইন-২০২৬ পাস হয়েছে। নতুন আইনে দলীয় প্রতীক ছাড়া সাধারণ প্রতীকে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, বগুড়া সিটি করপোরেশনের তফসিল অন্য ১২টি সিটি করপোরেশনের সঙ্গে একযোগে ঘোষণা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন সিটি করপোরেশনগুলোর কার্যক্রম গতিশীল করতে চলতি অর্থবছরেই প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে বগুড়া সিটি করপোরেশনের জন্যও দ্রুত বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন সাধারণত উৎসবমুখর পরিবেশে হয়। তাই বর্ষা শেষে শুষ্ক মৌসুমে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনাই বেশি। আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন শুরু হতে পারে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে আমার ধারণা। যেহেতু আমাদের মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী তিনি যেহেতু বলেছেন যে এক বছরের মধ্যে নির্বাচনগুলো শুরু হবে। তো বর্ষা মৌসুমের পরে শুষ্ক মৌসুমে পর্যাক্রমে ধাপে ধাপে এক বছরের মধ্যে আমরা পাঁচটি নির্বাচন শেষ করব।

সেপ্টেম্বরে কোন নির্বাচনটা শুরু হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা এখনো ওরকম সিদ্ধান্ত হয়নি, আমরা আগে বাজেটটা দেখব যে কোন নির্বাচনে কত টাকা লাগবে। নির্বাচন আয়োজনের ব্যয়, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি এবং অর্থবিভাগের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কবে থেকে শুরু হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সবচেয়ে বড় পরিসরের হওয়ায় এতে ব্যয়ও বেশি হবে। প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন করতে বিপুলসংখ্যক ব্যালট পেপার ছাপানোসহ নানা প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। শুধু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেই কমপক্ষে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আগামী বাজেটে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কমিশন ব্যয়ের হিসাব পাঠানোর পর অর্থবিভাগ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করবে।

সারাবাংলা/এমএমএইচ/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর