ঢাকা: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুর্নীতির অভিযোগ থাকা বিতর্কিত পরিচালক প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রশীদকে এবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রশাসন ও মানবসম্পদ পরিদফতরের (তদন্ত শাখা) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান করপোরেশন এমপ্লয়ীজ (সার্ভিস) রেগুলেশন্স, ১৯৭৯ এর অনুচ্ছেদ ৫৮-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আপনাকে আগামী ২০ মে থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে আপনি বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন এবং আপনি আপনার বর্তমান ঠিকানায় অবস্থান করবেন।
এর আগে, সোমবার (১৮ মে) মিজানুর রশীদকে মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাক থেকে পদোন্নতি দিয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের (পরিচালক) কর্মকর্তা করা হয়েছিল। এর কয়েকঘণ্টার মধ্যেই পড়ে ওই পদোন্নতি বাতিল ঘোষণা করা হয়।
জানা যায়, সরকারি অর্থে সফটওয়্যার কেনায় প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার মুখে পড়েছিলেন মো. মিজানুর রশীদ। যদিও তিনি সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। কিন্তু দুদক বিষয়টি নিয়ে এখনও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।
এর মাঝেই মহাব্যবস্থাপক (যানবাহন) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় গত ৪ মার্চ মিজানুর রশীদকে বদলি করে অর্থ ও হিসাব বিভাগে নেওয়া হয়। পরদিন আবার তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়। পাশাপাশি অর্থ বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে, যা মহাব্যবস্থাপকের চেয়ে উচ্চপদ।
অভিযোগ রয়েছে, বিমানের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের একটি শক্তিশালী পক্ষের তদবিরেই মিজানুর রশীদ এসব দায়িত্ব পেয়েছেন।