ঢাকা: আসন্ন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে ‘আইন-শৃঙ্খলা ও অপতথ্য মনিটরিং সেল’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, ইতোমধ্যে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রতিনিধি দিতে সেনাবাহিনীসহ ১৬টি বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
চিঠি থেকে আরো জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ‘আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটি’ গঠন করবে। এই কমিটির কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন ভবনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ‘আইন-শৃঙ্খলা ও অপতথ্য মনিটরিং সেল’ গঠন করা হবে।
এ জন্য উপসচিব, মেজর বা পুলিশ সুপার সমমর্যাদার নিচে নয়, এমন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রতিনিধি মনোনয়ন দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে তাদের নাম ও মুঠোফোন নম্বর পাঠাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে।
প্রতিনিধিদের অভিজ্ঞতার বিষয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, তাদের নিজ নিজ বাহিনীর সংগঠন, চেইন অব কমান্ড, মোতায়েনের তথ্য ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে। সদর দফতর থেকে মাঠপর্যায়ে মোতায়েন করা সব প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন এবং দক্ষতার সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানের সক্ষমতাও থাকতে হবে। এ ছাড়া মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনসংক্রান্ত প্রযুক্তিগত জ্ঞান থাকতে হবে।
আইন-শৃঙ্খলা ও অপতথ্য মনিটরিং সেলের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লে. কমান্ডার মো. সাদমান রাফি (এক্স), উপ-প্রকল্প পরিচালক, মনিটরিং ও ইভ্যালুয়েশন শাখা, আইডিইএ প্রকল্প (২য় পর্যায়)।
যেসব প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রতিনিধি চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— সেনাবাহিনী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশ, আইন ও বিচার বিভাগ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি, ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি, র্যাব, বিটিআরসি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), সিআইডি এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
উল্লেখ্য, আগামী ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে গত ১০ সেপ্টেম্বর তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।