সিলেট: সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদে ৪ বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১২ মে) সংবাদ সম্মেলনে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নেশাগ্রস্ত জাকির হোসেন ইয়াবার ঘোরে লিপ্ত হয়েছিল এই জঘন্য অপরাধে।
জাকির নিহত শিশু ফাহিমার প্রতিবেশী ও দূরসম্পর্কের চাচা। সোমবার (১৮ মে) রাতে তাকে সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
নিহত শিশু ফাহিমা সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। গত ৮ মে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার দুদিন আগে সে নিখোঁজ হয়।
গ্রেফতারের পর তাকে নিয়ে হত্যার আলামত উদ্ধার করে পুলিশ। জাকিরকে গ্রেফতারের পর তার শাস্তির দাবিতে মধ্যরাত পর্যন্ত থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। পরে জাকিরের বাড়িঘর ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মে ফাহিমা প্রতিবেশী চাচা জাকিরের ঘরে গেলে সে তাকে ২০ টাকা দিয়ে দোকানে সিগারেট আনতে পাঠায়। সিগারেট নিয়ে ফেরার পর ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণ করে জাকির। ফাহিমা অজ্ঞান হয়ে পড়লে ভয় পেয়ে তাকে গলা টিপে হত্যা করে। হত্যার পর ধরা পড়ার ভয়ে দু’দিন নিজের ঘরের খাটের নিচে একটি সুটকেসে ফাহিমার নিথর দেহ লুকিয়ে রাখে জাকির। পরে মরদেহ থেকে গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে রাতের আঁধারে সেটি বাদাঘাট এলাকার ডোবায় ফেলে আসে সে।