চুয়াডাঙ্গা: ভারতে যাওয়ার সময় চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মেহেরপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক এম. এ. খালেককে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন ডেস্ক থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক এম. এ. খালেক মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং গাংনী বাজার পাড়ার মোজাহার আলী বিশ্বাসের ছেলে।
দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ইনচার্জ এসআই তুহিন জানান, সকালে এম. এ. খালেক মেডিকেল ভিসায় ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইমিগ্রেশন ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন। এ সময় ইমিগ্রেশন সার্ভারে তার নাম ‘স্টপলিস্টে’ দেখতে পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে গাংনী থানায় মামলা রয়েছে। মামলাটি বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় রুজু করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে করা এক মামলায় এম এ খালেককে প্রধান আসামি করা হয়। ওই মামলায় ২০২৫ সালের ২৪ অক্টোবর মেহেরপুর গাংনী উপজেলা শহরের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে ছিলো র্যাব। পরে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। মূলত মামলার কারণে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় তিনি হঠাৎ করে মেডিকেল ভিসা নিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়েছে ।
এসআই তুহিন জানান, যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে দর্শনা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মামলায় তাকে মেহেরপুরের গাংনী থানায় পাঠানো হবে।