।। ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট ।।
চুয়াডাঙ্গা: ঈদ সামনে রেখে জমে উঠছে তৈরি পোশাকের বাজার। মার্কেটগুলোয় ক্রেতাদের বেশ ভিড় দেখা যাচ্ছে। দেশের বড় টেইলারিং হাউসগুলোয় রোজার এক সপ্তাহের মধ্যেই কাপড় তৈরির অর্ডার নেওয়া শেষ হয়েছে। এখন তারা সেগুলো তৈরি করে অর্ডার সরবরাহ করতে ব্যস্ত। চুয়াডাঙ্গায় হাতের কাজ করা থ্রি-পিস ও শাড়ির ব্যাপক চাহিদা থাকলেও যোগান দিতে পারছেন না প্রস্তুতকারীরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় ওয়েভ ফাউন্ডেশন ২০০ জন নারী কর্মী নিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের জন্য হাতে সেলাইয়ের কাজ করানো হচ্ছে। তারা থ্রি-পিস, ওয়ানপিস, ওড়না, শাড়ি, শিশুদের ফ্রক ও পুরুষদের জন্য পাঞ্জাবির ওপর বিভিন্ন ধরনের সুতোর কারুকাজ করছে। সে গুলো বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। ভিন্ন ধরনের কারুকাজ হওয়ায় ত্রেতাদের কাছে এগুলোর চাহিদা ব্যাপক রয়েছে। কিন্তু জনবল অপ্রতুল হওয়ায় ত্রেতাদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।
দর্শনা পৌরসভার আজিমপুর এলাকার রত্নার বাড়িসহ দর্শনা বাসস্ট্যান্ড, রামনগর, মোহাম্মদপুর, শ্যামপুর, দামুড়হুদা উপজেলা শহর, কাদিপুর, লোকনাথপুর প্রতাপপুর ও জীবননগর উপজেলার উথলী, সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামে সুই সুতোর এবং ব্লক প্রিন্টের কাজ করছে নারীকর্মীরা।
ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষক রত্না খাতুন জানান, তারা তাদের নারী কর্মীদের দিয়ে বেশিরভাগ সুঁই-সুতোর কাজ করানো হচ্ছে। প্রস্তুত হয়ে গেলে সেগুলো বিক্রির জন্য ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে পাঠানো হয়। হাতে তৈরি সুতোর কারুকাজ করা থ্রি-পিস ১ থেকে ৩ হাজার টাকা, ওয়ান পিস সাড়ে ৮০০ টাকা থেকে প্রায় দেড় হাজার টাকা, পাঞ্জাবি ৫০০ হতে ১ হাজার ৫০০ টাকা মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এসব পোশাকের চাহিদা থাকলেও কর্মীর অভাবে কাজ করা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।
সৌরভ বন্ধন ট্রাস্টি বোর্ডের পরিচালক জাহানারা বেগম জানান, নতুন শাড়িতে ব্লক প্রিন্ট ও সুতোর কারুকাজ করা পাঞ্জাবি-শাড়ি বিক্রি হচ্ছে বেশি। ঈদ উপলক্ষে পণ্যের ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। ৫০ জন নারীকর্মী হাতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সারাবাংলা/এমএইচ