ঢাকার জিনজিরায় ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে ঘসেটি বেগমের বন্দিশালা হিসেবে পরিচিত একটি স্থাপনার স্মৃতিচিহ্ন। সময়ের সাক্ষী এই স্থাপনাটি বাংলার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, বাংলার নবাব আলীবর্দী খানের জ্যেষ্ঠ কন্যা এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার খালা ঘসেটি বেগমকে পলাশীর যুদ্ধের পর এখানে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। কালের পরিক্রমায় হারিয়ে গেছে সেই বাড়ির মূল কাঠামো। এখন কেবল দাঁড়িয়ে আছে বিশাল একটি প্রবেশদ্বার। কিন্তু সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেই শেষ চিহ্নটিও ক্রমেই হারাচ্ছে তার পরিচিতি। অযত্নে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে স্থাপনাটি। প্রবেশদ্বারটি ঢেকে গেছে লতাপাতা ও আগাছায়। দখল-অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছে কয়েক শতাব্দী পুরোনো এই স্মৃতিচিহ্ন। সম্প্রতি ঢাকার জিনজিরায় বন্দিশালাটি ঘুরে ছবিগুলো ক্যামেরাবন্দি করেছেন সারাবাংলার সিনিয়র ফটোকরেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান।