Saturday 24 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

দুদকের চলমান অনুসন্ধান রাজনৈতিকভাবে হয়রানির সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র: আসিফ মাহমুদ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:১৬ | আপডেট: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:০৭

কথা বলছেন আসিফ মাহমুদ।

ঢাকা: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি ও ভয় দেখানোর প্রক্রিয়ার অংশ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এর মূল উদ্দেশ্য দুর্নীতি উদ্ঘাটন করা নয়, বরং তাকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করা ও পরিকল্পিতভাবে মিডিয়া ট্রায়াল চালানো।’

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও মিডিয়া উপকমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আসিফ মাহমুদ জানান, দুদকের পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যমে প্রাথমিক তদন্তের কথা প্রচার করার মাধ্যমে তার সম্মানহানি ঘটানো হয়েছে। তিনি আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং এরইমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ফ্যাসিবাদের আমলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের যে পুরোনো সংস্কৃতি ছিল, বর্তমান কায়েমি স্বার্থবাদী মহল সেই একই কায়দায় ভয় দেখানোর পুরোনো খেলায় লিপ্ত রয়েছে।

এ ছাড়া যে নির্দিষ্ট ঘটনার ভিত্তিতে এই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে, তা বর্তমান সরকারের মেয়াদে বা তার পদত্যাগের পরের ঘটনা বলে দাবি করেন সাবেক এই উপদেষ্টা। তিনি জানান, তিনি গত ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট বিতর্কিত ঘটনাটি এরও বহু পরে ঘটে, যা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে তারিখগুলো যাচাই না করেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ভিত্তিহীন অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত সংস্কার কমিশনের রূপরেখা থেকে সরে এসে বর্তমান প্রশাসন দলীয় কায়দায় দুদক গঠন করেছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপির এই মুখপাত্র। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, নথিপত্র এবং তারিখগুলো সঠিকভাবে পর্যালোচনা করলেই প্রমাণিত হতো যে এই অনুসন্ধানের নেপথ্যে কোনো আইনি ভিত্তি নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সারাবাংলা/এফএন/এআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর