নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটাও দাপুটে জিতেছিল বাংলাদেশ। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজটা জেতা হলো না। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটা গেছে বৃষ্টির পেটে। আজ তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ।
বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ১০২ রানে। পরে ১১.৪ ওভারেই ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে ফেলেছে নিউজিল্যান্ড। এই জয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজটা শেষ হলো ১-১ ব্যবধানের সমতায়।
শনিবার (২ মে) মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১০২ রানের পুঁজি নিয়ে বাংলাদেশের বোলিংয়ের শুরুটা কিন্তু হয়েছিল দুর্দান্ত। দ্বিতীয় ওভারে বোলিং করতে এসে জোড়া উইকেট এনে দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে আরও এক উইকেট এনে দেন শরিফুল।
পঞ্চম ওভারে শেখ মাহেদি যখন নিউজিল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নিক কেলিকে ফেরালেন তখন সফরকারীদের স্কোর ৩৩/৪। কিন্তু সেই ধারাটা পরে আর ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ।
এরপর বেভন জ্যাকব ও ডিন ফক্সক্রফট দুর্দান্ত এক জুটি গড়েন, এই দুজনকে আউটই করতে পারেনি বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তোলেন বেভন জ্যাকব। নিউজিল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হওয়ার সময় মাত্র ৩২ বল খেলে ৫টি চার ৩টি ছয়ে ৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন জ্যাকব। ফক্সক্রফট অপরাজিত ছিলেন ১৫ বলে ১৫ রান করে।

এর আগে ব্যাটিংটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। বাংলাদেশের ব্যাটিং পাওয়ার প্লেতে বৃষ্টি নামে, বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ ছিল অনেক সময়। পরে ২০ ওভারের বদলে ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ১৫ ওভারে। বৃষ্টির আগে ৩৫ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। বৃষ্টি থেমে নতুন করে খেলা শুরু হলে সেই ধাক্কাটা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি স্বাগতিকরা।
১৭ বলে ৩টি চার ১টি ছয়ে দারুণ খেলতে থাকা লিটন দাস বৃষ্টির পর পরই ফিরেছেন ২৬ রানে। একবার ‘জীবন’ পেয়েও ২৪ বলে ৩টি চার ২টি ছয়ে ৩৩ রান করা তাওহিদ হৃদয়ই বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ স্কোরার। এরপর দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি আর কেউ। লিটন-হৃদয় ছাড়া দুই অঙ্কের কোটা পেরুতে পেরেছেন কেবল ১ জন, ওপেনার সাইফ হাসান (১১ বলে ১৬ রান)।
১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ১৪.২ ওভারে বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ১০২ রানে।