রংপুর থেকে: সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে কোথায় সমাহিত করা হবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হলেও রংপুরের দর্শনায় পল্লী নিবাসে স্থানীয় নেতাকর্মীরা নিজ উদ্যোগে কবর খোঁড়ার কাজ শুরু করেছেন।
সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৪টায় পল্লী নিবাসের পাশে এরশাদের বাবার নামে গড়ে তোলা মকবুল হোসেন পল্লী চিকিৎসালয়ের লিচুবাগানে এ কবর খোঁড়া শুরু হয়।
রোববার (১৪ জুলাই) সকালে এরশাদ মারা যাওয়ার পর জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, বনানীতে সামরিক কবরস্থানে এরশাদকে সমাহিত করা হবে। এ বিষয়টিতে নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
https://www.youtube.com/watch?v=z_tSZgIGod4&feature=youtu.be&fbclid=IwAR1-bUG4h0fMM6umoBecnKa1iT9R1nh_BBe4xGFBW-xU56cpfJyrFuwGqCk
পল্লী নিবাসে কবর খোঁড়ার সময় সেখানে উপস্থিত ছাত্রসমাজের রংপুর জেলা সভাপতি ইয়াসির আরাফাত আসিফ সারাবাংলাকে বলেন, ‘এরশাদ রংপুরের সন্তান তাই তাকে এখানেই সমাহিত করা হবে। এটি রংপুরের মানুষের প্রাণের দাবি। আজকে যে বৈঠক হয়েছে, সেখানে রংপুর ও রাজশাহী জেলার দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকায় প্রিয় নেতার সমাধি হোক তা কেউ চায় না।’
রংপুর জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী আব্দুল বারী বলেন, ‘বনানীতে কবর দেওয়া হলে আমরা তা মানব না। আমাদের নেতা এরশাদকে রংপুরেই সমাহিত করতে হবে।’
ওই নেতা দাবি করেন, অসুস্থ হওয়ার আগে এরশাদ পল্লী নিবাসে নিজের কবরের নকশা করে গেছেন। নতুন আরেকটি রাস্তা করার জন্য তিনি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দও দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন মেজর খালেদ ও পিও জাহাঙ্গীর হোসেন। এতকিছুর পরও এরশাদকে বনানীতে দাফন করার সিদ্ধান্ত কেন হলো বুঝতে পারছি না।’
রংপুর দর্শনার বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, ‘এরশাদ রংপুরের সন্তান, তাই তাকে রংপুরেরই মাটি দিতে হবে। কবর থাকবে এখানে, কত মানুষ দেখতে আসবে আর দোয়া করবে। বনানীতে কবর দিলে রংপুরের কেউ যেতেও পারবে না, কবর জিয়ারতও করতে পারবে না। এটা আমরা করতে দেব না।’
সারাবাংলা/ইউজে/আরএইচএস/একে
আরও পড়ুন