পাকিস্তানের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৪৩৭ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। বড় লিডের জবাব দিতে নেমে পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে বেশ ভালো ব্যাটিং করছে। যাতে শেষ দিনের রোমাঞ্চের অপেক্ষায় সিলেট টেস্ট।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩১৭ রান তুলে আজ চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে পাকিস্তান। দিন শেষে সমীকরণ ম্যাচ জিততে শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন আর তিন উইকেট। অপর দিকে পাকিস্তানের প্রয়োজন ১২১ রান। পাকিস্তানের কেবল একজন স্বীকৃত ব্যাটার অপরাজিত আছেন। মোহাম্মদ রিজওয়ান দিন শেষ করেছেন ৭৫ রানে অপরাজিত থেকে। ফলে পাকিস্তানের জন্য ম্যাচ জেতা বড্ডই কঠিন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যখন চতুর্থ দিনের খেলা যখন শুরু হলো পাকিস্তানের স্কোর তখন বিনা উইকেটে শূন্য। পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে থিতু হতে দেয়নি বাংলাদেশ। আবদুল্লাহ ফজলকে ফেরান নাহিদ রানা। ২১ রান করা আজান আয়াইচকে ফেরান মেহেদি হাসান মিরাজ।
তবে এরপর অধিনায়ক শান মাসুদের সঙ্গে শক্ত একটা জুটি গড়েন বাবর আজম। তৃতীয় উইকেটে ৯২ রান তোলেন দুজন। তাইজুল ইসলামকে লেগ সাইটে খেলতে গিয়ে বাবর আজম ৪৭ রান করে ফিরলে এই জুটি ভাঙে। খানিক বাদে সাউদ সাকিলকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের বিপদ বাড়ান নাহিদ রানা। এরপর তাইজুল ইসলামের বলে ফেরেন পাকিস্তানের অধিনায়ক শান মাসুদ। ফেরার আগে ১১৬ বল খেলে ৮টি চারে ৭১ রান করেন মাসুদ।
১৬২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় পাকিন্তান। মনে হচ্ছিল এরপর হয়ত আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না পাকিস্তান। কিন্তু ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে দুর্দান্ত একটা পার্টনারপি গড়ে পাকিস্তানকে ম্যাচে রাখেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা। ১৩৪ রান তোলেন দুজন মিলে।
তবে শেষ বিকেলে সালমান এবং পরে আরও একটা উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে আরও সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। ৭৫ রান করা সালমান আলী আগাকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন তাইজুল। খানিক বাদে পেসার হাসান আলীকেও ফেরান বাংলাদেশের অভিজ্ঞ স্পিনার।
উল্লেখ্য, প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তুলেছিল ২৭৮ রান। জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ২৩২ রানেই। পাকিস্তান পরে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান তুলে ৪৩৭ রানের লিড দাঁড় করায় পাকিস্তানের সামনে।