কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালন আখড়াবাড়িতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করতে গেলে থানায় এনসিপির নেতাকর্মীকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে কুমারখালী থানায় এজাহার দিতে যান এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদৌস টনিসহ অনান্য নেতাকর্মীরা।
এনসিপির কুষ্টিয়া জেলার সদস্যসচিব সুলতান মারুফ তালহার অভিযোগ করেন, পুলিশ মামলা না নিয়ে নানা টালবাহানা করে এবং থানার ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখে। এ সময় দুই শতাধিক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী থানায় ঢুকে এনসিপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ ঘটনায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেন এনসিপির জেলা সদস্যসচিব সুলতান মারুফ তালহা।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বী বলেন, যদি এই হামলার সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো নেতা বা কর্মী জড়িত থাকে, তাহলে এর দায়-দায়িত্ব তাকে বা তাদেরই বহন করতে হবে।
এদিকে রাত ১টার দিকে পুলিশের গাড়িতে করে এনসিপির নেতাকর্মীদের নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয়।
এর আগে, রোববার সন্ধ্যায় লালন আখড়াবাড়ি থেকে গান শুনে বের হওয়ার সময় নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তার গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করা হয়।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘রাতে এনসিপির নেতারা থানায় এজাহার দিতে গিয়েছিলেন, এটি শুনেছি। তবে তাদের অবরুদ্ধ থাকার বিষয়টি জানা নেই।’