বিজ্ঞাপন

গণপরিবহনের জন্য ‘নতুন স্বাভাবিক’ পথ বের করার তাগিদ এডিবির

August 4, 2020 | 4:39 am

সারাবাংলা ডেস্ক

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সময়ে এই ভাইরাসকে মোকাবিলা করে টিকে থাকার জন্য গণপরিবহনকে ‘নতুন স্বাভাবিক’ উপায় বের করতে হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে আরও প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে এই খাতকে। এতে ভবিষ্যতেও কোনো বিপর্যয় এলে তা মোকাবিলা করা সহজ হবে।

বিজ্ঞাপন

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এক নতুন প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলে কোভিড-১৯ ও পরিবহনে খাতের দিক নির্দেশনা শিরোনামে প্রতিবেদনটিতে পরিবহন খাতে চলমান মহামারির বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবেদনটি সম্পর্কে জানিয়েছে এডিবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, লকডাউনের কারণে লাখ লাখ মানুষ এ বছর বাড়ি থেকেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করতে বাধ্য হয়েছে। স্কুলগুলো ই-লার্নিংয়ে পরিণত হয়েছে এবং ভোক্তারা অনলাইনের মাধ্যমে খাবার ও অন্যান্য সামগ্রী কেনাকাটা করছে। যেখানে আগে শহরগুলোতে মানুষ পরিবেশবান্ধব, পর্যাপ্ত ও সাশ্রয়ী এই গণপরিবহনগুলোতে ভ্রমণ করত। কিন্তু করোনার ফলে গণপরিবহনগুলো কিছুদিন বন্ধ রেখে ফের চালুর পর এগুলোকে করোনা পরিস্থিতিতে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। এর চেয়ে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছতেই মানুষ সাচ্ছন্দ্যবোধ করছে।

বিজ্ঞাপন

এডিবি’র নলেজ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট বামবাং সুসান্তনো বলেন, গণপরিবহনের সক্ষমতার ক্ষেত্রে দু’টি প্রধান সংকট হচ্ছে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং গণপরিবহনের ওপর সাধারণ মানুষের নির্ভরতা ফিরিয়ে আনা।

এডিবি’র প্রতিবেদন বলছে, নগরগুলোতে লকডাউন পরবর্তী যানবাহনের সংখ্যা বেড়েছে। উদাহরণ হিসেবে বেইজিংয়ের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। চীনের রাজধানীতে ২০২০ সালের এপ্রিল মাসের গোড়ার দিকে ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের চেয়ে বেশি যানবাহন দেখা গেছে!

বিজ্ঞাপন

এদিকে, ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, করোনাকালে কলকারখানা ও যানবাহন বন্ধ থাকায় ধোঁয়া ও কাবর্ণ নিঃসরণ হয়নি। এতে বায়ু দূষণ কমে অনেক নগরীর আকাশ-বাতাস পরিচ্ছন্ন ও নির্মল হয়ে উঠেছে। এ ক্ষেত্রে নগরীগুলোতে ভ্রমণের জন্য কম কার্বন নিঃসরণকারী বিকল্প বাহন প্রচলনের একটি ক্ষীণ সুযোগ তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিমানবন্দর গণপরিবহনগুলোতে চাহিদা ব্যবস্থাপনা পদক্ষেপ ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। অধিকাংশ দেশের অর্থনীতিতেই গণপরিবহনের একটি বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে। তাই করোনাকালে খাতটির অনুকূলে সরকারের নীতি ও অর্থনৈতিক সমর্থনের প্রয়োজন, যেন গণপরিবহন তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে এবং যাত্রী ও পণ্য একটি টেকসই উপায়ে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে পারে।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে এটা পরিষ্কার যে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অতিরিক্ত পরিবহন অবকাঠামো ও সেবার ব্যাপক চাহিদা রয়েই যাবে।’ বাসস।

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন